বাংলা নিউজ > ময়দান > 'কোহলির ছুটি, নটরাজনের নয় কেন? নেটে বল করার জন্য? সেও তো এখনও মেয়েকে দেখেনি!' টিম ম্যানেজমেন্টকে আক্রমণ গাভাসকরের
টি নটরাজন ও বিরাট কোহলি। ছবি- টুইটার।
টি নটরাজন ও বিরাট কোহলি। ছবি- টুইটার।

'কোহলির ছুটি, নটরাজনের নয় কেন? নেটে বল করার জন্য? সেও তো এখনও মেয়েকে দেখেনি!' টিম ম্যানেজমেন্টকে আক্রমণ গাভাসকরের

  • ভারতীয় ড্রেসিংরুমে তারকাদের জন্য এক নিয়ম, নতুনদের জন্য আলাদা, অভিযোগ টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন অধিনায়কের।

ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনলেন সুনীল গাভাসকর। বরং বলা ভালো যে, চাঁচাছোলা ভাষায় ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টকে আক্রমণ শানালেন সানি।

গাভাসকর অভিযোগ করেন, ভারতীয় ড্রেসিংরুমে আলাদা আলাদা ক্রিকেটারের জন্য আলাদা আলাদা নিয়ম। তারকা ক্রিকেটারদের সঙ্গে একরকম ব্যবহার করা হয়। নবাগত ক্রিকেটারদের সঙ্গে অন্যরকম।

গাভাসকর এক্ষেত্রে উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়েছেন যে, টি নটরাজন ও বিরাট কোহলির জন্য কীভাবে পৃথক নিয়ম প্রয়োগ করা হয়েছে। এমনকি অশ্বিনকে কেন সমস্যার মুখে পড়তে হয়, সেকথাও উল্লেখ করেছেন টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন অধিনায়ক।

গাভাসকরের দাবি, বিরাট কোহলি প্রথম সন্তানের জন্মের সময় স্ত্রী'র পাশে থাকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সিরিজের মাঝপথে দেশে ফিরছেন। অথচ এই মুহূর্তে দলের সবথেকে বেশি করে দরকার তাঁকে। অন্যদিকে টি নটরাজনের প্রথম সন্তানের জন্ম হয়েছে আইপিএলের প্লে-অফের সময়। দুবাই থেকে সরাসরি অস্ট্রেলিয়ায় উড়ে আসায় নটরাজন এখনও তাঁর কন্যা সন্তানের মুখ দেখতে পাননি। যেতেহু তিনি টেস্ট দলে নেই, তাই সীমিত ওভারের সিরিজের পরেই তাঁকে দেশে ফেরত পাঠানো যেত। অথচ শুধুমাত্র নেটে বল করার জন্য তাঁকে টেস্ট স্কোয়াডের সঙ্গে আটকে রাখা হয়েছে।

স্পোর্টস্টারে নিজের কলামে গাভাসকর লেখেন, ‘আর একজন প্লেয়ার এমন নিয়মে অবাক হতে পারে। তবে যেহেতু সে দলে নতুন, তাই কোনও আওয়াজ তুলতে পারবে না। সে হল টি নটরাজন। বাঁ-হাতি ইয়র্কার স্পেশালিস্ট, টি-২০ সিরিজে যার দুরন্ত অভিষেক হয়েছে এবং হার্দিক পান্ডিয়া প্রশংসনীয়ভাবে যাঁর সঙ্গে সিরিজ সেরার পুরস্কার ভাগ করে নিয়েছে, সে প্রথমবার বাবা হয়েছে আইপিএলের প্লে-অফের সময়। তাঁকে টেস্ট সিরিজের জন্য অস্ট্রেলিয়ায় থেকে যেতে বলা হয়েছে খেলোয়াড় হিসেবে নয়, একজন নেট বোলার হিসেবে। ভাবা যায়! অন্য ফর্ম্যাটে হলেও একজন ম্যাচ উইনারকে নেটে বোলার হতে বলা হচ্ছে। ফলে টেস্ট সিরিজের পর তার দেশে ফিরতে জানুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহ গড়িয়ে যাবে। তখন সে তাঁর মেয়েকে প্রথমবার দেখতে পাবে। আর ক্যাপ্টেন প্রথম টেস্টের পর দেশে ফিরছে প্রথম সন্তানের জন্ম হবে বলে।'

সানি আরও দাবি করেন যে, অশ্বিনকে নিজের বোলিংয়ের জন্য নয়, বরং সোজাসাপ্টা মানসিকতার জন্য দলে কোণঠাসা হতে হয়। সবাই যেখানে সব বুঝেও মুখ বুজে থাকে, সেখানে ও স্পষ্ট কথা বলে। তাই একটা ম্যাচে উইকেট না পেলেই ওকে সাইডলাইনে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

শেষে গাভাসকর লেখেন, ‘এটাই ভারতীয় ক্রিকেট। আলাদা আলাদা লোকের জন্য আলাদা আলাদা নিয়ম। আমার কথা যদি বিশ্বাস না হয় অশ্বিন ও নটরাজনকে জিজ্ঞাসা করে দেখুন।’

বন্ধ করুন