বাংলা নিউজ > ময়দান > ‘অনেক কিছু বদলাতে হবে, তার আগে করোনা যুদ্ধে জিততে হবে’, শপথ নিয়েই জানালেন মনোজ
মনোজ তিওয়ারি।
মনোজ তিওয়ারি।

‘অনেক কিছু বদলাতে হবে, তার আগে করোনা যুদ্ধে জিততে হবে’, শপথ নিয়েই জানালেন মনোজ

  • যুব কল্যাণ এবং ক্রীড়া দফতরের প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন মনোজ তিওয়ারি। সোমবারই রাজভবনে শপথ নিলেন। তার পরেই নিজের লক্ষ্যের কথা হিন্দুস্তান টাইমসের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন।

প্রশ্ন: ক্রিকেট মাঠ, আর রাজনীতির ময়দান একেবারেই আলাদা দু'টি ক্ষেত্র। কী করে সামলাচ্ছেন?

মনোজ: এটা ঠিক দু'টোই একেবারে আলাদা বিষয়। তবে রাজনীতি নিয়ে আমার বরাবরই আগ্রহ  ছিল। ক্রিকেট খেলার জন্য সেই সময়টা দিতে পারতাম না। আমি আসলে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করতে চাইতাম বরাবর। আর রাজনীতির মঞ্চে থেকে সেই কাজটা করা অনেক সোজা। সাধারণ মানুষের কাছে সহজেই পৌঁছানো যায়। তাঁদের যে কোনও প্রয়োজনে পাশে থাকা যায়।

প্রশ্ন: বাংলা দলে আপনার সতীর্থ লক্ষ্মীরতন শুক্লা যে দায়িত্ব সামলে এসেছেন, এ বার সেই দায়িত্ব আপনার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এটা কতটা চ্যালেঞ্জিং?

মনোজ: নতুন যে কোনও কাজই চ্যালেঞ্জের। সেটা লক্ষ্মীর জন্য নয়। ও নিশ্চয়ই নিজের মতো করে উন্নতি করেছে। আমি আমার মতো করে চেষ্টা করব। অনেক কাজ করার রয়েছে। অনেক কিছু বদলানোর রয়েছে। আমার একটা ভাবনাও রয়েছে। সেটা নিয়ে অরূপদা-র (বিশ্বাস) সঙ্গে আলোচনা করব। তবে সবার আগে করোনা যুদ্ধে আমাদের জিততে হবে। এর জন্য সবাইকে অনুরোধ করব, প্রত্যেকে ঠিক করে মাস্ক পরুন। পারলে দু'টো করে মাস্ক পরুন। স্যানিটাইজার বা সাবান দিয়ে বারবার হাত ধুতে হবে। আর যতটা সম্ভব সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। নিজেরা সতর্ক না হলে এই যুদ্ধে জেতা কঠিন।

প্রশ্ন: কী কী কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে আপনার?

মনোজ: দেখুন, এর একটা বড় তালিকা রয়েছে। আমি সবার আগে চেষ্টা করব, যাঁদের মধ্যে প্রতিভা রয়েছে, অথচ টাকার অভাবে সেই প্রতিভা হারিয়ে যাচ্ছে, তাঁদেরকে সামনে এগিয়ে নিয়ে আসতে। ক্রিকেট, ফুটবলের জন্য অনেক কিছু করার রয়েছে। তার পাশাপাশি মাইনর গেমসের জন্যও অনেক কিছু করতে হবে। যাতে বাংলা থেকে বহু খেলোয়াড় ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ভারতকে প্রতিনিধিত্ব করতে পারে। এই স্বপ্নটা অনেক খেলোয়াড় লালন করেন। আমিও করি। আর সেই স্বপ্নই বাস্তবে রূপ দিতে চাই।

তা ছাড়া যাঁদের চাকরি প্রয়োজন, তাঁরা যেন চাকরি পান, সে দিতে লক্ষ্য রাখতে হবে। ইয়ুথ নিয়েও অনের কাজ করার রয়েছে। যুব গোষ্ঠী তো আমাদের সমাজকে আরও শক্তিশালী করে। তবে সব কিছুই করা সম্ভব, যখন মানুষ নিজেদের বিষয়ে সচেতন হবেন। আর করোনা যুদ্ধে জিততে দেশকে সাহায্য করবে।

প্রশ্ন: আপনি তো করোনা যুদ্ধে ইতিমধ্যে সামিল হয়ে গিয়েছেন। নিয়মিত আপনার ওয়ার্ডে ঘুরে, ঘুরে মাস্ক, স্যানিটাইজার বিলি করছেন!

মনোজ: আমার ক্ষমতায় যেটুকু রয়েছে, করার চেষ্টা করছি। বাকি তো সাধারণ মানুষের হাতে। করোনা কিন্তু সহজে আমাদের ছেড়ে যাবে না। পরিস্থিতি একটু ভাল হওয়া মানেই, মাস্ক ছাড়া ঘুরে বেড়ানো বা নিয়ম না মানা, এগুলো ঠিক নয়।

প্রশ্ন: প্রতিমন্ত্রী হলেন। শপথ নিলেন। পুরো বিষয়টা কেমন লাগছে? আলাদা কী রকম অনুভূতি হচ্ছে?

মনোজ: (হাসতে হাসতে) আলাদা কিছু নয়। আগের মনোজই রয়েছি। আলাদা বলতে সরকার থেকে একটা গাড়ি দিয়েছে। ড্রাইভার দিয়েছে। এই আর কী।

বন্ধ করুন