বাংলা নিউজ > ময়দান > ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের বিরুদ্ধে এবার পথে নামলেন লাল-হলুদের সদস্য সমর্থকেরা
ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন এলাকায় বিদ্রোহ ঘোষণা করল লাল হলুদের সদস্য সমর্থকেরা (ছবি :ফেসবুক )
ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন এলাকায় বিদ্রোহ ঘোষণা করল লাল হলুদের সদস্য সমর্থকেরা (ছবি :ফেসবুক )

ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের বিরুদ্ধে এবার পথে নামলেন লাল-হলুদের সদস্য সমর্থকেরা

  • এবার ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের চাপ বাড়াচ্ছেন ইস্টবেঙ্গলের সমর্থকেরা। ইস্টবেঙ্গলের কর্তাদের বিরুদ্ধে এবার এলাকায় এলাকায় বিদ্রোহ ঘোষণা করে দিল তারা।  

চারদিক থেকে সমস্যা ঘিরে ধরছে লাল হলুদের সাবেকি কর্তাদের। আগেই লগ্নীকারি সংস্থার চুক্তির চাপ ছিল। পরে শুরু হয় ফিফার নির্বাসন ও আইএসএল-এ খেলার চাপ। তার মাঝেই দল গঠন নিয়ে নানা সমস্যা দেখা যেতে থাকে। এই সাঁড়াশি চাপের মধ্যে এবার ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের মাথা ব্যথার কারণ বাড়াচ্ছেন ইস্টবেঙ্গলের সমর্থকেরা। ইস্টবেঙ্গলের কর্তাদের বিরুদ্ধে এবার এলাকায় এলাকায় বিদ্রোহ ঘোষণা করে দিল তারা।    

রবিবার দুপুরে বেলঘরিয়া স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে ইস্টবেঙ্গল ফ‍্যান ক্লাবের সমর্থকেরা। হাতে প্ল‍্যাকার্ড ও দেবব্রত সরকারের কুশপুতুল। ক্ষুব্দ লাল-হলুদ সদস‍্য সমর্থকদের দাবি লগ্নিকারীদের টার্মসিটে সই করতে হবে কর্তাদের। মুখ্যমন্ত্রীর সম্মান রক্ষার্থে সই করে আইএসএলে খেলতে হবে। ইস্টবেঙ্গলের বর্তমান কর্তাদের ক্লাব পরিচালনায় স্বেচ্ছাচারিতা বন্ধ করতে হবে। এমন সব দাবি নিয়ে বেলঘরিয়া স্টেশনের কাছেই বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন ইস্টবেঙ্গল সদস‍্য-সমর্থকরা। বিক্ষোভ সামাল দিতে ঘটনাস্থলে দেখা গেল ইস্টবেঙ্গলের কার্যকরি সমিতির সদস‍্য বীরেন সাহা ও মাঠ সচিব ভাই ওরফে সরোজ ভট্টাচার্যকে। 

সূত্রের খবর, বিক্ষোভ চলার সময় ওই পথ দিয়ে নাকি যাচ্ছিলেন ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের কার্যকরি কমিটির সদস‍্য বীরেন সাহা। তাকে দেখার পর বিক্ষোভকারীরা বীরেন সাহার কাছে তাদের অভিযোগ শোনার জন‍্য আসতে বলেন। প্রথমে বীরেন রাজি ছিলেন না। পরে বীরেন নাকি ফোন করে ডেকে নেন ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের মাঠ সচিব ভাই ওরফে সরোজ ভট্টাচার্যকে।

বীরেন, সরোজরা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে একটি দোকানের খোলা বারান্দায় বোঝানোর চেষ্টা করেন যে, এভাবে সই করা মানে ক্লাবকে বিক্রি করে দেওয়ার সামিল। পাল্টা যুক্তি দিয়ে ক্লাব কর্তাদের কর্ম পদ্ধতি নিয়ে বলতে থাকেন ভিক্ষোভকারীরা। দেবব্রত সরকার সই না করে যে যুক্তি দিচ্ছেন তা তারা মানতে চান না। বছরের পর বছর ক্লাবে সাফল‍্য নেই। ইনভেস্টর চলে গেলে আর কোথায় পাবে? শ্রী সিমেন্ট চলে গেলে এবার আর আইএসএলে খেলতে পারবে না তাদের প্রিয় ক্লাব।

বীরেনরা নাকি বলতে থাকেন, এই ভাবে বিক্ষোভ না করাই ভাল। যদি এটা চলতে থাকে কিছু করার নেই। আলোচনার সময় বিক্ষোভকারীদের হাতে ছিল ইস্টবেঙ্গল কর্তা দেবব্রত সরকারের কুশপুতুল। বীরেনরা দেবব্রত সরকারের কুশপুতুল না পোড়ানোর অনুরোধ করেন। এক বয়স্ক কর্তাও একই অনুরোধ করেন। কিন্তু ওই সময় প্রবল বৃষ্টি শুরু হওয়ায় দেবব্রতর কুশপুত্তলিকা সেই সময় দাহ করা হয়নি। তবে বেলঘরিয়ার এম বি রোডের ইস্টবেঙ্গল ফ‍্যান ক্লাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ক্লাব কর্তাদের স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে তাদের বিক্ষোভ চলতে থাকবে। লকডাউন উঠে গেলে বিভিন্ন এলাকার ইস্টবেঙ্গল ফ‍্যান ক্লাবের সদস‍্যরা পথে নেমে বিক্ষোভ দেখাবে।

বন্ধ করুন