বাংলা নিউজ > ময়দান > বিরাটের সঙ্গে ঝামেলা নেই, মাঠের লড়াই আমাদের সেরাটা বার করে আনে- বেয়ারস্টো

বিরাটের সঙ্গে ঝামেলা নেই, মাঠের লড়াই আমাদের সেরাটা বার করে আনে- বেয়ারস্টো

বিরাট-বেয়ারস্টো ঝামেলা চলছেই।

স্বপ্নের ফর্মে রয়েছেন জনি বেয়ারস্টো। নিউজিল্যান্ড সিরিজে যেভাবে টিম সাউদিদের কচুকাটা করেছিলেন, ততটা না হলেও দাপটের সঙ্গে ভারতের বিরুদ্ধেও এজবাস্টনে শতরান হাঁকালেন ইংল্যান্ডের তারকা ব্যাটার। চার ইনিংসে এই নিয়ে তৃতীয় শতরান হাঁকালেন বেয়ারস্টো।

ম্যাচের প্রথম দু'দিনে ছবিটা ছিল বন্ধুত্বপূর্ণ। যদিও মিষ্টি কথায় মন জ্বালানোর খেলা চলছিলই। তবে তৃতীয় দিনে বিরাট কোহলি ও জনি বেয়ারস্টোর সেই বন্ধুত্বের ছবিটাই কার্যত শত্রুতায় বদলে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে বুঝেই হস্তক্ষেপ করতে হয় আম্পায়ারদের। যদিও পেশাদার দুই ক্রিকেটার পারস্পরিক সম্ভ্রম বজার রাখেন শেষ পর্যন্ত।

পরে বেয়ারস্টো দাবি করেন, ‘বিরাট কোহলি এবং অন্যান্য ভারতীয় খেলোয়াড়রা তাদের দেশ সম্পর্কে খুবই আবেগ প্রবণ। আমার এবং বিরাটের মধ্যে আক্ষরিক অর্থে কিছুই নেই, মাঠের মধ্যে দু'জন প্রতিযোগী যা পছন্দ করে, সেটাই করছে।’

ঘটনাটি কী?

এজবাস্টন টেস্টের প্রথম দিনে কোহিল যখন ব্যাট করছিলেন, বেয়ারস্টোকে তাঁর সঙ্গে মস্করা করতে দেখা যায়। দ্বিতীয় দিনে বেয়ারস্টোর উদ্দেশ্যে টিপ্পনি কাটতে দেখা যায় বিরাটকে। তবে দুই ক্রিকেটারের আলিঙ্গনের ছবিটা প্রমাণ দিচ্ছিল তাঁদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের। ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টও করে।

আরও পড়ুন: ‘সুপার বিরাট’র ‘ক্রিপ্টোনাইট’ স্টোকস, ষষ্ঠবার কোহলিকে আউট করলেন বেন

তবে তৃতীয় দিনের শুরু থেকেই ভিন্ন ছবি দেখা যায়। শামি-বুমরাহর বলে যখন ক্রমাগত পরাস্ত হয়ে চলেছেন জনি বেয়ারস্টো, স্লিপে দাঁড়িয়ে ক্রমাগত খোঁচা দিতে শুরু করেন কোহলি। পাল্টা টিপ্পনি কাটতে দেখা যায় বেয়ারস্টোকেও।

আম্পায়াররা কোহলিকে সতর্ক করেন। ক্রিজে উপস্থিত থাকা ব্রিটিশ দলনায়ক বেন স্টোকসও বিষয়টা হাল্কা করে দেন। পরে কোহলিকে বেয়ারস্টোর সঙ্গে সৌজন্য বিনিময়ও করতে দেখা যায়।

কোহলির সঙ্গে ঝামেলার পরেই অবশ্য ছন্দে ফেরেন বেয়ারস্টো। তিনি রীতিমতো চার-ছক্কার ঝড় তোলেন ক্রিজে। সেঞ্চুরি করে ইংল্যান্ডের ইনিংসকে ভরসা জোগান তিনি ।

আক্রমণাত্মক বেয়ারস্টো শতরান করে একাই ভারতের নাগাল থেকে ম্যাচের রাশ ইংল্যান্ডের দিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন। তবে মহম্মদ শামি বলে আসতেই বদলায় ছবি। ৫৫তম ওভারে শামির স্পেলের প্রথম বলেই শরীর অনেকটা দূরে খেলতে যান বেয়ারস্টো। বল তাঁর ব্যাটে লেগে দ্রুত গতিতে প্রথম স্লিপের দিকে যায়। সেখানে ক্যাচ ধরতে কোনও ভুল করেননি কোহলি। এর পরেই বেয়ারস্টোর উদ্দেশ্যে বিদায় ফ্লাইং কিস করেন কোহলি। যা নিয়ে ফের শুরু হয় বিতর্ক।

প্রসঙ্গত বেয়ারস্টো একাই ১০৪ রান করলেও, ইংল্যান্ড প্রথম ইনিংসে ২৮৪ রানেই গুটিয়ে যায়। ভারত ১৩২ রানের লিড পায়।

বন্ধ করুন