বাংলা নিউজ > ময়দান > US Open: তিন বছর আগে জুনিয়র উইম্বলডনে লড়েছিলেন এমা-লেইলা, কে জিতেছিল সেদিন?
দুই ফাইনালিস্ট লেইলা ও রাডুকানু। ছবি- টুইটার (@usopen)।

US Open: তিন বছর আগে জুনিয়র উইম্বলডনে লড়েছিলেন এমা-লেইলা, কে জিতেছিল সেদিন?

  • এই শতকে প্রথম অল টিনএজার ফাইনালে নিজেদের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম খেতাব জয়ের জন্য লড়বেন লেইলা ও এমা।

ঐতিহাসিক ফাইনালে নিজেদের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম জেতার জন্য আর্থার অ্যাশে লড়তে দেখা যাবে দুই টিনএজার এমা রাডুকানু ও লেইলা ফার্নান্ডেজকে। এই শতকের প্রথম অল টিনএজার ফাইনালের দিকে তাকিয়ে গোটা বিশ্ব। তবে নিজেদের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম ফাইনালে খেললেও এবারেই কিন্তু প্রথমবার মুখোমুখি হচ্ছেন না দুই তরুণী।

ঠিক ৩৮ মাসে উইম্বলডনের ঘাসের কোর্টেও একে অপরের মুখোমুখি হয়েছিলেন দুইজনে, তবে তা ছিল জুনিয়র চ্যাম্পিয়নশিপে। ১০ জুলাই ১৭ নম্বর কোর্টে উইম্বলডন জুনিয়রের সেকেন্ড রাউন্ডে খেলা দুই ১৫ বছরের তরুণীই যে মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে টেনিস দুনিয়ার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবেন, তা হয়তই কেউ ভেবেছিলেন। সেদিন ঘরের কোর্টে ৬-২, ৬-৪ ব্যবধানে লেইলাকে উড়িয়ে দিয়েছিলেন এমা।

ঐতিহাসিক ফাইনালে নিজেদের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম জেতার জন্য আর্থার অ্যাশে লড়তে দেখা যাবে দুই টিনএজার এমা রাডুকানু ও লেইলা ফার্নান্ডেজকে। এই শতকের প্রথম অল টিনএজার ফাইনালের দিকে তাকিয়ে গোটা বিশ্ব। তবে নিজেদের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম ফাইনালে খেললেও এবারেই কিন্তু প্রথমবার মুখোমুখি হচ্ছেন না দুই তরুণী।

ঠিক ৩৮ মাসে উইম্বলডনের ঘাসের কোর্টেও একে অপরের মুখোমুখি হয়েছিলেন দুইজনে, তবে তা ছিল জুনিয়র চ্যাম্পিয়নশিপে। ১০ জুলাই ১৭ নম্বর কোর্টে উইম্বলডন জুনিয়রের সেকেন্ড রাউন্ডে খেলা দুই ১৫ বছরের তরুণীই যে মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে টেনিস দুনিয়ার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবেন, তা হয়তই কেউ ভেবেছিলেন। সেদিন ঘরের কোর্টে ৬-২, ৬-৪ ব্যবধানে লেইলাকে উড়িয়ে দিয়েছিলেন এমা।|#+|

তবে মাত্র তিন বছর পরেই জীবন আবার তাঁদের একে অপরের সামনে এনেছে। এবার ঘাসের বদলে থাকবে হার্ড কোর্ট, ফাঁকা গ্যালারির বদলে সমর্থকদের হইহইতে ভরে উঠবে কোর্ট। টেনিস থেকে জীবন, দুই তরুণীর মধ্যে একাধিক মিল থেকে বিস্তর পার্থক্য সবই চোখে পড়ে। 

এমা জন্মসূত্রে কানাডিয়ান, তাঁর দুই বছর বয়সে তাঁর মাতা-পিতা ইংল্যান্ডে চলে আসে। এর ওপর ভর করেই অনুর্ধ্ব-১২ টুর্নামেন্টে প্রথমবার পরিচয় হওয়ার এই কানাডিয়ান সম্পর্ককে ভিত্তি করেই তাঁদের মধ্যে বন্ধুত্বও গড়ে ওঠে বলে জানান ব্রিটিশ তারকা। তবে এমা যেখানে নিজের কেরিয়ারে সবরকম সুযোগ সুবিধা পেলেও, লেইলাকে প্রত্যাখ্যান, হতাশকে হারিয়ে নিজের কেরিয়ার গড়ে তুলতে হয়েছে।

দুইজনের এবারের যুক্তরাষ্ট্র ওপেনের সফরটাও যেন তারই ধারক। একটিও সেট না হারিয়ে এমা ফাইনালে প্রবেশ করেন। তবে নাওমি ওসাকার মতো তারকার বিরুদ্ধে লড়াই করে খেতাব জয়ের সম্মুখে এসে দাঁড়িয়েছেন লেইলা। আর্থার অ্যাশে ফাইনাল শেষে খেতাব যার হাতেই উঠুক না কেন, জিতবে কিন্তু আদপে টেনিসই।

বন্ধ করুন