বাংলা নিউজ > ময়দান > বাঁশের ব্যাটকে অবৈধ বলছে এমসিসি, কিন্তু কেন?
বাঁশের ব্যাটে না করল এমসিসি (ছবি: গেটি ইমেজ)

বাঁশের ব্যাটকে অবৈধ বলছে এমসিসি, কিন্তু কেন?

  • বিশ্বক্রিকেটে সর্বত্র বাঁশের ব্যাট দেখা যেতে পারে। ভবিষ্যৎ-এ কি ক্রিকেট ম্যাচ খেলতে ব্যাটসম্যানরা বাঁশের তৈরি ব্যাট নিয়ে বাইশ গজে নামবেন। নিজেদের রায় জানিয়েছে এমসিসি। বাঁশ আসলে একটি ঘাস। আর ক্রিকেট আইনে ঘাসের তৈরি ব্যাট দিয়ে ক্রিকেট খেলতে বলা নেই। তাই নতুন আইন পাস হওয়ার পরেই তাঁরা বাঁশের ব্যাটের পক্ষে ভোট দেবে।

আগামীতে কী বিশ্বক্রিকেটে সর্বত্র বাঁশের ব্যাট দেখা যেতে পারে। ভবিষ্যৎ-এ কি ক্রিকেট ম্যাচ খেলতে ব্যাটসম্যানরা বাঁশের তৈরি ব্যাট নিয়ে বাইশ গজে নামবেন। এমনই সব প্রশ্ন ঘুরে বেড়াচ্ছে ক্রিকেট বিশ্বে। কারণটাও পরিষ্কার, কয়েকদিন আগেই জার্নাল অফ স্পোর্টস ইঞ্জিনিয়ারিং এবং টেকনোলজিতে একটি তথ্য প্রকাশ পায়, যেখানে বাঁশের তৈরি ব্যাটের উপকারিতার কথা উল্লেখ করা হয়। 

দার্শিল শাহ ও বেন টিঙ্কলার-ডেভিস কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটিতে একটি রিসার্চ করেন। যার প্রধান বিষয় ছিল বাঁশের তৈরি ক্রিকেট ব্যাট। বর্তমানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ব্যাট তৈরি হয় উইলো গাছের কাঠ দিয়ে। এই রিসার্চে উইলো গাছের ব্যাটের সঙ্গে বাঁশের তৈরি ক্রিকেট ব্যাটের পার্থক্যটা ব্যাখ্যা করা হয়। এছাড়াও এই রিসার্চে বলা হয় কেন বাঁশের তৈরি ব্যাট অন্য কাঠের তৈরি ব্যাটের তুলনায় ভাল।

এই রিসার্চে বলা হয়, বাঁশের তৈরি ব্যাটে সুইট স্পট অন্য কাঠের তৈরি ব্যাটের তুলনায় বেশি উপকারি। এরফলে ব্যাটসম্যান যখন বাঁশের তৈরি ব্যাট দিয় বলকে হিট করবে তখন বল অনেক দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাবে। বাঁশের তৈরি ব্যাট দিয়ে ব্যাটসম্যানরা আরও অনেক সহজেই চার ছয় মারার সঙ্গে সঙ্গে ইয়র্ক ও সুইপ শট মারতে পারবেন। ইউলো কাঠের তৈরি ব্যাটের তুলনায় বাঁশের তৈরি ব্যাটের ওজনেও আছে বেশ পার্থক্য। 

তবে এই রিসার্চের পরে নিজেদের রায় জানিয়েছে এমসিসি। তারা জানিয়েছে, তাঁরা এই রিসার্চ পড়েছেন এবং সেই কারণেই তাঁরা এই মুহূর্তে বাঁশের ব্যাটের পক্ষে রায় দেবেননা। কারণ বাঁশ আসলে একটি ঘাস। আর ক্রিকেট আইনে ঘাসের তৈরি ব্যাট দিয়ে ক্রিকেট খেলতে বলা নেই। তাই নতুন আইন পাস হওয়ার পরেই তাঁরা বাঁশের ব্যাটের পক্ষে নিজেদের রায় দেবেন।  

বন্ধ করুন