বাংলা নিউজ > ময়দান > টেস্ট ম্যাচ ক্রিকেটে অধিনায়ক হিসেবে জয়ের নিরিখে লয়েডকে টপকালেন বিরাট
লর্ডস টেস্ট জয়ের পরে বিরাট কোহলি (ছবি:রয়টার্স) (Action Images via Reuters)
লর্ডস টেস্ট জয়ের পরে বিরাট কোহলি (ছবি:রয়টার্স) (Action Images via Reuters)

টেস্ট ম্যাচ ক্রিকেটে অধিনায়ক হিসেবে জয়ের নিরিখে লয়েডকে টপকালেন বিরাট

  • ক্লাইভ লয়েডের ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল ছিল একটা সময় টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে একছত্র আধিপত্য বিস্তারকারী দল। বিরাটের নেতৃত্বাধীন ভারতও টেস্ট ক্রিকেটের মঞ্চকে রীতিমতো শাসন করছেন সাম্প্রতিক কালে। আর তার ফল স্বরূপ অধিনায়ক বিরাট কোহলি টেস্টে ম্যাচ জয়ের নিরীখে টপকে গেলেন কিংবদন্তি অধিনায়ক ক্লাইভ লয়েডকে। 

শুভব্রত মুখার্জি: ক্লাইভ লয়েডের ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল ছিল একটা সময় টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে একছত্র আধিপত্য বিস্তারকারী দল। বিপক্ষের কাছে রীতিমতো ত্রাস ছিল তারা। ফলে সেই সময় অধিনায়ক হিসেবে লয়েড একাধিক নজির গড়েছিলেন। বিরাটের নেতৃত্বাধীন ভারতও টেস্ট ক্রিকেটের মঞ্চকে রীতিমতো শাসন করছেন সাম্প্রতিক কালে। আর তার ফল স্বরূপ অধিনায়ক বিরাট কোহলি টেস্টে ম্যাচ জয়ের নিরীখে টপকে গেলেন কিংবদন্তি অধিনায়ক ক্লাইভ লয়েডকে।

উল্লেখ্য রুটদের বিরুদ্ধে তাদের দেশের মাটিতে টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে সাউদাম্পটনের মাটিতে বিরাটের নেতৃত্বাধীন ভারত মুখোমুখি হয়েছিল কেন উইলিয়ামসনের নেতৃত্বাধীন নিউজিল্যান্ড দলের। সেটি ছিল প্রথম বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল। যা কিইউয়িদের কাছে ভারতকে হারতে হয়েছিল। ফলে বিভিন্ন মহল থেকে সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়েছিল ভারতীয় দলকে। রুটদের বিরুদ্ধে সিরিজে সেই সমালোচনাই আপাতদৃষ্টিতে তাতিয়ে দিল ভারতীয়দের। দুটি টেস্টেই রুটদের বিরুদ্ধে কার্যত দাপট দেখিয়ে খেললেন বিরাট বাহিনী। প্রথম টেস্টে বৃষ্টির কারণে জিততে পারেনি ভারত। ফলে সিরিজে এগিয়েও যেতে পারেনি‌ বিরাট অ্যান্ড কোম্পানি। তবে দ্বিতীয় টেস্টে ভারতীয় বোলাররা সঠিক সময়ে নিজেদের সেরা খেলাটা নিংড়ে দিলেন। যার ফলে ৫ ম্যাচের সিরিজে ১-০  এগিয়ে গেল বিরাট বাহিনী। আর এই জয়ের ফলেই ম্যাচ জয়ের নিরীখে অধিনায়ক কোহলি ছাপিয়ে গেলেন অধিনায়ক লয়েডকে।

দেশের হয়ে ৬৩ ম্যাচে অধিনায়কত্ব করে বিরাটের দখলে এই মুহূর্তে রয়েছে ৩৭ টি জয়। যা ৭৪ ম্যাচে দেশকে নেতৃত্ব দেওয়া ক্লাইভ লয়েডের থেকে একটি জয় বেশি। আসুন একনজরে দেখে নেওয়া যাক টেস্ট ইতিহাসে দেশকে সফলভাবে নেতৃত্ব দেওয়া অধিনায়কদের পরিসংখ্যান।

১) গ্রেম স্মিথ (দক্ষিণ আফ্রিকা):-

১০৯ ম্যাচে ৫৩ টি জয়,২৯ টি হার,২৭ টি ড্র। জেতার শতকরা হার ৪৮.৬ %।

২) রিকি পন্টিং (অস্ট্রেলিয়া) :-

৭৭ ম্যাচ ৪৮টি জয়,১৬টি হার,১৩টি ড্র, জয়ের শতকরা হার ৬২.৩%।

৩) স্টিভ ওয়াহ (অস্ট্রেলিয়া ) :-

৫৭ম্যাচ ,৪১টি জয়,০৯টি হার,৭টি ড্র, জয়ের শতকরা হার ৭১.৯%।

৪) বিরাট কোহলি (ভারত) :-

৬৩টি ম্যাচ,৩৭টি জয়,১৫টি হার,১১টি ড্র, জয়ের শতকরা হার ৫৮.৭%।

৫) ক্লাইভ লয়েড (ওয়েস্ট ইন্ডিজ) :-

৭৪টি ম্যাচ,৩৬টি জয়,১২টি হার,২৬টি ড্র, জয়ের শতকরা হার ৪৮.৬%।

বন্ধ করুন