বাংলা নিউজ > ময়দান > WTC ফাইনালের আগে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সরব হলেন বিরাট
বিরাট কোহলি এবং রবি শাস্ত্রী।
বিরাট কোহলি এবং রবি শাস্ত্রী।

WTC ফাইনালের আগে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সরব হলেন বিরাট

  • এর আগেও বিরাট কোহলি টানা জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকার কারণে, ক্রিকেটারদের মানসিক সমস্যা নিয়ে সরব হয়েছিলেন। বুধবার ফের ক্রিকেটারদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে মুখ খুললেন ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি। সেই সঙ্গে সতীর্থদের কাছে মানসিক দৃঢ়তা বাড়ানোর আর্জি জানালেন তিনি।

বিরাট কোহলিদের এখন টানা ক্রিকেট রয়েছে। তাও করোনা পরিস্থিতিতে। কোয়ারেন্টাইন পর্ব, জৈব সুরক্ষা বলয়ে টানা থাকার যন্ত্রণার সঙ্গে মাঠে নেমে সেরাটা দেওয়ার চাপ। সব মিলিয়ে ইংল্যান্ডে উড়ে যাওয়ার আগে, ক্রিকেটারদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে মুখ খুললেন ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি। সেই সঙ্গে সতীর্থদের কাছে মানসিক দৃঢ়তা বাড়ানোর আর্জি জানালেন তিনি।

বুধবার ইংল্যান্ড উড়ে যাওয়ার আগে সাংবাদিক সম্মেলনে বিরাট বলেন, ‘এক টানা কোয়ারেন্টাইনে থাকার পর ক্রিকেটের বিভিন্ন ফর্ম্যাটের সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে সেরাটা দেওয়া খুবই কঠিন। একই ভাবে একটানা থাকতে ভাল না লাগলেও, আমাদের মানিয়ে নিতে হয়। সেই সঙ্গে দেশের হয়ে ভাল পারফরম্যান্স করার প্রত্যাশার চাপটাও মারাত্মক থাকে। সব মিলিয়ে মনের উপর চাপ বাড়ে। কিন্তু আমাদের পুরনো ব্যর্থতা ভুলে নতুন করে লড়াই শুরু করতে হয়। এ ভাবেই আমরা খেলে চলেছি। এখন এ ভাবেই চলতে হবে। সতীর্থদের বলেছি, মানসিক দৃঢ়তা আরও বাড়ানোর জন্য।’

বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলার পর ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের টেস্ট সিরিজ রয়েছে। আর এর মাঝে ছয় সপ্তাহ গ্যাপ রয়েছে। তবে এই ছয় সপ্তাহ অন্য ভাবে সময় কাটানোর উপায় নেই। করোনার জন্য জৈব সুরক্ষা বলয়ের নিয়ম ভাঙা যাবে না। তার পরেই আবার আইপিএল রয়েছে। যে কারণে ইংল্যান্ড সরাসরি উড়ে যেতে হবে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে। আর তার ঠিক পরেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ রয়েছে।

এর আগেও বিরাট টানা জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকার কারণে, ক্রিকেটারদের মানসিক সমস্যা নিয়ে সরব হয়েছিলেন। বুধবার ফের তিনি বলেন, ‘ক্রিকেটের জন্যই যে সব সময় সমস্যা আসে তা নয়, কারও ব্যক্তিগত সমস্যাও থাকতে পারে। টানা কয়েক মাসের সফরে বন্দি একঘেয়ে জীবনে মানসিক সমস্যা আশাটাই স্বাভাবিক। কারও এ রকম কোনও সমস্যা হলে আমাকে বা রবিভাইকে (ভারতীয় দলের কোচ রবি শাস্ত্রী) জানাতে পারে। তাঁকে কিছু দিনের বিশ্রাম দেওয়া যেতেই পারে। এতে তাঁরও কিছুটা সাহায্য হবে, পাশাপাশি ড্রেসিংরুমের পরিবেশও ঠিক থাকবে। কারণ একজনের মানসিক সমস্যার প্রভাব পুরো ড্রেসিংরুমের পরিবেশকেই নষ্ট করতে পারে।’

বন্ধ করুন