বাংলা নিউজ > ময়দান > W, 1, W, 1, W, 0! হাসারাঙ্গার এই ওভারেই এশিয়া কাপ কার্যত জিতে নিল শ্রীলঙ্কা
মহম্মদ রিজওয়ানকে আউট করার পরে হাসারাঙ্গার সেলিব্রেশন (ছবি-এএফপি)

W, 1, W, 1, W, 0! হাসারাঙ্গার এই ওভারেই এশিয়া কাপ কার্যত জিতে নিল শ্রীলঙ্কা

  • ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা পাকিস্তানের আশায় জল ঢেলে দেন। ১৭তম ওভারে বল করতে এসেই প্রথমে রিজওয়ানকে ব্যাক্তিগত ৫৫ রানে সাজঘরে ফেরান তিনি। এরপরে আসিফ আলিকে বোল্ড করেন তিনি। এরপরে খুলশিদ শাহকে আউট করেন। দুই রান দিয়ে তিন উইকেট শিকার করে ম্যাচ ও টুর্নামেন্টের শিরোপা শ্রীলঙ্কার ঝুলিতে তুলে দিয়েছিলেন হাসারাঙ্গা।

২০২২ এশিয়া কাপে পাকিস্তানকে ২৩ রানে হারিয়ে ট্রফি জিতল শ্রীলঙ্কা। এদিন পাকিস্তানের মুখ থেকে ম্যাচ ছিনিয়ে আনল শ্রীলঙ্কার তারকা বোলার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। টুর্নামেন্টের শুরুতে যখন শ্রীলঙ্কা দল আফগানিস্তানের কাছে ম্যাচ হেরেছিল, তখন খুব কম মানুষই ভেবেছিল যে এটি এশিয়া কাপের বিজয়ী হবে দাসুনা শনাকারা। সেই সময়ে বাংলাদেশের ক্রিকেটার ও কর্তারা তো বলেই দিয়েছিল শ্রীলঙ্কার সেই রকম কোনও বোলার নেই। কিন্তু তারপর থেকেই যেন জ্বলে উঠল শ্রীলঙ্কা।

এই দলটি অসাধ্য সাধন করে দেখাল। শিরোপা জয়ের লড়াইয়ে পাকিস্তানকে ২৩রানে পরাজিত করে আশ্চর্যজনক পারফরম্যান্স দেখাল শ্রীলঙ্কা। চূড়ান্ত লড়াইয়ে, শ্রীলঙ্কা প্রথমে ব্যাট করেরাজাপক্ষের অপরাজিত ৭১রানের ভিত্তিতে ৬উইকেটে ১৭০ রান তুলেছিল শ্রীলঙ্কা।

আরও পড়ুন… স্টুয়ার্টের হ্যাটট্রিক, টানটান উত্তেজনার ম্যাচ জিতে ডুরান্ড সেমিফাইনালে মুম্বই সিটি এফসি

জবাবে পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানরা সবকটি উইকেট হারিয়ে স্কোর বোর্ডে মাত্র ১৪৭ রান তুলতে পারে। মহম্মদ রিজওয়ান ৪৯ বলে ৫৫ রানের ইনিংস খেললেও দলকে জয়ের পথে নিয়ে যেতে পারেননি। এদিন শ্রীলঙ্কার হয়ে হাসারাঙ্গা ৩টি ও প্রমোদ ৪টি উইকেট নেন। এটি শ্রীলঙ্কার ষষ্ঠ এশিয়া কাপ শিরোপা জয় ছিল। এর আগে তিনি ১৯৮৬, ১৯৯৭, ২০০৪, ২০০৮, এবং ২০১৪ সালে শিরোপা জিতেছিলেন।

এদিন শ্রীলঙ্কার শিরোপা জয়ের পিছনে ছিল হাসরাঙ্গার বড় ভূমিকা। এক ওভারে ৩টি শিকার করেন বিরাট কোহলির সতীর্থ। এদিন ১৭১ রান লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে, ১৬ ওভারের শেষে পাকিস্তানের রান ছিল চার উইকেটে ১১০ রান। তখনও উইকেটে ছিলেন মহম্মদ রিজওয়ান ও খুশদিল শাহ। ম্যাচ জিততে হলে পাকিস্তানের দরকার ছিল প্রতি ওভারে প্রায় ১৫.৩ রান। পাকিস্তানের সমর্থকেরা তখনও আশায় বুক বেঁধে ছিলেন।

আরও পড়ুন… কর্ণাটকের এই ক্রিকেটারের সঙ্গে বাগদান সারলেন ঝুলনদের সতীর্থ বেদা কৃষ্ণমূর্তি

কিন্তু ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা পাকিস্তানের সেই আশায় জল ঢেলে দেন। ১৭তম ওভারে বল করতে এসেই প্রথমে রিজওয়ানকে ব্যাক্তিগত ৫৫ রানে সাজঘরে ফেরান তিনি। এরপরে আসিফ আলিকে বোল্ড করেন তিনি। এরপরে খুলশিদ শাহকে আউট করেন হাসারাঙ্গা। ১৭তম ওভারে ছয় বলে দুই রান দিয়ে তিন উইকেট শিকার করে ম্যাচ ও টুর্নামেন্টের শিরোপা শ্রীলঙ্কার ঝুলিতে তুলে দিয়েছিলেন হাসারাঙ্গা। তাই যতদিন এই ম্যাচের কথা মনে করা হবে, ততদিন হাসারাঙ্গার ১৭তম ওভারের কথা কেউ ভুলবেন না। টুর্নামেন্টের সেরাও হয়েছিলেন হাসারাঙ্গা।

 

বন্ধ করুন