বাংলা নিউজ > ময়দান > হতাশা লুকোতে জুতো-জামা পরেই শাওয়ারের জলে ভিজেছিলেন রাসেল
রশিদের বলে আউট হওয়ার পর আন্দ্রে রাসেল। ছবি- কেকেআর।
রশিদের বলে আউট হওয়ার পর আন্দ্রে রাসেল। ছবি- কেকেআর।

হতাশা লুকোতে জুতো-জামা পরেই শাওয়ারের জলে ভিজেছিলেন রাসেল

  • ২০১৮ আইপিএলে ফাইনালে উঠতে না পারার হতাশা নিয়ে মুখ খুললেন KKR তারকা।

আন্দ্রে রাসেলকে বরাবর ক্রিকেট মাঠে ডাকাবুকো দেখিয়েছে। ব্যাটিং হোক বা বোলিং, ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলতেই অভ্যস্ত কেকেআরের ক্যারিবিয়ান অল-রাউন্ডার। তবে যখন মাঠে তাঁর কোনও ভুলের জন্য দলের জয়ের সুযোগ হাতছাড়া হয়, যারপরনাই হতাশ হতে দেখা যায় দ্রে রাসকে।

এবছর আইপিএলে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে মহানায়কোচিত ইনিংস খেলে কলকাতার জয়ের সম্ভাবনা তৈরি করেছিলেন রাসেল। তবে শেষরক্ষা করতে পারেননি। আউট হয়ে সাজঘরে ফেরার সময় সিঁড়িতেই মাথা নীচু করে বসে থাকতে দেখা যায় রাসেলকে। সন্দেহ নেই এমন ছবি কেকেআর অনুরাগীদের কাছে হৃদয় বিদারক।

যদিও দ্রে রাস জানালেন, এর আগেও একবার যখন বুঝতে পেরেছিলেন যে, তাঁর জন্যই বোধহয় দলের আইপিএল ফাইনাল খেলা সম্ভব হল না, তখন হতাশায় ভেঙে পড়েছিলেন। তিনি এতটাই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন যে, সাজঘরে ফিরে সোজা চলে যান শাওয়ারে নীচে। জার্সি, জুতো পরেই তিনি ভিজেছিলেন শাওয়ারের জলে।

ইডেনে ২০১৮ আইপিএলের দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে রশিদ খানের বলে আউট হওয়ার প্রসঙ্গে রাসেল বলেন, ‘আপনারা ঠিক গুরুতর স্মৃতিগুলি ফিরিয়ে আনেন। যখন আমি রশিদ খানের বলে আউট হই, সাজঘরে ফিরে সোজা শাওয়ারের নীচে চলে যাই ক্রিকেটের পোশাক পরেই। আমার জুতো, জার্সি সবকিছুই ভিজে গিয়েছিল। আমি চুপচাপ দাঁড়িয়ে ছিলাম আর শরীর জুড়ে জলের ধারা বয়ে যাচ্ছিল। বুঝে গিয়েছিলাম যে, এটাই ছিল মরশুমের শেষ ম্যাচ।’

কেকেআর তারকা আরও বলেন, ‘আমি ঠিক দ্রে রাস সুলভ আউট হইনি। আমি ম্যাচটি নিয়ে বাড়তি ভাবনা-চিন্তা শুরু করেছিলাম। সম্ভবত ওই একটা বলকে যেতে দেওয়াই উচিত ছিল। আমি জানতাম যে গোলমাল হয়ে গিয়েছে। যদি আমি শেষ পর্যন্ত থাকতাম, আমরা অনায়াসে ম্যাচ জিততাম।’

উল্লেখ্য, সেই ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে সানরাইজার্স ৭ উইকেটে ১৭৪ রান তোলে। জবাবে কলকাতা আটকে যায় ৯ উইকেটে ১৬০ রানে। কেকেআর ১৪ রানে পরাজিত হয়।

বন্ধ করুন