বাংলা নিউজ > ময়দান > কেন বিশ্বকাপ হেরেই রাহুল দ্রাবিড়ের সঙ্গে সিনেমা দেখতে গিয়েছিলেন ধোনি-পাঠান?
রাহুল দ্রাবিড় ও ইরফান পাঠান (ছবি:গেটি ইমেজ)
রাহুল দ্রাবিড় ও ইরফান পাঠান (ছবি:গেটি ইমেজ)

কেন বিশ্বকাপ হেরেই রাহুল দ্রাবিড়ের সঙ্গে সিনেমা দেখতে গিয়েছিলেন ধোনি-পাঠান?

  • ইরফান পাঠান ২০০৭ সালের ওয়েস্ট ইন্ডিজে আয়োজিত বিশ্বকাপের একটি ঘটনা জানালেন।

ভারত বনাম শ্রীলঙ্কা সিরিজ শুরুর আগে তরুণ প্রতিভাবান ভারতীয় ক্রিকেটারদের রাহুল দ্রাবিড় নিয়ে একটা ছোট্ট গল্প শোনালেন ভারতের প্রাক্তন অলরাউন্ডার ইরফান পাঠান। ২০০৭ বিশ্বকাপের গল্প শুনিয়ে তরুণ ক্রিকেটারদের ভরসা দিলেন ইরফান। তাঁর বক্তব্য শ্রীলঙ্কা সফরে ভারতীয় দলের ভরসার জায়গা হলেন রাহুল দ্রাবিড়ই। কারণ শিখর ধাওয়ানদের বর্তমান কোচ যেভাবে ক্রিকেটারদের পাশে দাঁড়ান সেটা অতুলনীয়। অতীতেও দ্রাবিড়কে বহুবার এই ভূমিকায় পাওয়া গিয়েছিল। 

অনেকেই জানতেন দ্রাবিড় হলেন ভারতীয় ক্রিকেটের 'ওয়াল'। যেখানে সব উইকেট পড়ে যেত, সেখানে দেওয়াল হয়ে দাঁড়াতেন ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার দ্রাবিড়। তাঁর ব্যাটিং স্টাইল, তাঁর ফিল্ডিং সব কিছুতেই বাকি সকলের থেকে বেশি ভরসা দিতেন দ্রাবিড়। তবে দ্রাবিড়ের এই গুনের বাইরেও একটি অন্য গুন ছিল। তিনি ক্রিকেটারদের আত্মবিশ্বাসী করে তুলতেন। ক্রিকেটাররা ভেঙে পড়লে তাঁদের মনোবল বাড়াতেন। দ্রাবিড় যুগে এমন বহু ঘটনার সাক্ষী থেকেছে টিম ইন্ডিয়ার বহু সদস্য। দ্রাবিড়কে নিয়ে বহু গল্প রচিত রয়েছে টিম ইন্ডিয়ায়। সেই গল্পের মাঝেই ইরফান পাঠান নিজের একটি গল্প শোনালেন। তিনি তাঁর এই গল্পের মধ্যে দিয়ে বোঝাতে চেয়েছেন, যদি কোনও ক্রিকেটার শ্রীলঙ্কা সফরে ব্যর্থ হন, তাহলে তাঁর চিন্তিতো হওয়ার কোনও কারণ নেই। সবটা সামলে দেবেন রাহুল দ্রাবিড়, কারণ দ্রাবিড় যে দারুন একজন মেন্টার।  

ইরফান পাঠান ২০০৭ সালের ওয়েস্ট ইন্ডিজে আয়োজিত বিশ্বকাপের একটি ঘটনা জানালেন। তিনি বলেন, ‘২০০৭ সালের ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিশ্বকাপের একটি ছোট্ট ঘটনা মনে আমার রয়েছে। তিনি (দ্রাবিড়) আমার এবং মহেন্দ্র সিং ধোনির কাছে এসেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘দেখো আমরা সবাই মন খারাপ করে ফেলেছি। চলো একটা সিনেমা দেখে আসা যাক।’ আমরা সিনেমাটি দেখতে গিয়েছিলাম এবং তারপরে তিনি বলেছিলেন, ‘দেখো, এটা সত্যি আমরা বিশ্বকাপে হেরেছি। আমরা সবাই একটি বড় পার্থক্য করতে চেয়েছিলাম। তবে এটি এখানে শেষ হওয়ার নয়। জীবন অনেক বড়। আমরা আগামীকাল আবার ফিরে আসব।’ তিনি এমন ধরণের একজন মানুষ। তিনি সর্বদা ক্রিকেটারদের মনের একটি ইতিবাচক দিক তৈরি করার চেষ্টা করছেন। সুতরাং, যদি কেউ, দুর্ভাগ্যক্রমে, শ্রীলঙ্কায় ফর্মের বাইরে চলে যায়... যদি তা ঘটে থাকে, তবে তিনিই প্রথম তাঁকে গাইড করবেন এবং আত্মবিশ্বাস দেবেন।’

বন্ধ করুন