বাংলা নিউজ > ময়দান > আখতার, আফ্রিদি, ইউসুফরা গালাগালি দিয়ে স্বাগত জানাত, স্মতিচারণায় সেহওয়াগ
শোয়েব আখতার ও বীরেন্দ্র সেহওয়াগ (ছবি:গেটি ইমেজ)
শোয়েব আখতার ও বীরেন্দ্র সেহওয়াগ (ছবি:গেটি ইমেজ)

আখতার, আফ্রিদি, ইউসুফরা গালাগালি দিয়ে স্বাগত জানাত, স্মতিচারণায় সেহওয়াগ

আখতার, আফ্রিদি, ইউসুফরা গালাগালি দিয়ে বাইশ গজে স্বাগত জানিয়েছিলেন সেহওয়াগকে! বীরু আজও ভুলতে পারেননি সেই ঘটনা। তাই পাকিস্তানকে দেখলেই কেন নিষ্ঠুর হয়ে উঠত সেহওয়াগের ব্যাট!  

বাইশ গজে পাকিস্তানকে দেখলেই তিনি অন্য মেজাজে ব্যাট করতেন। যখন তিনি শোয়েব আখতার বা পাকিস্তানের অন্য বোলারদের দেখতেন তখন যেন তাঁর ব্যাট আরও বেশি নৃশংস, নিষ্ঠুর হয়ে উঠত। কিন্তু কেন এমন করতেন ভারতের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান বীরেন্দ্র সেহওয়াগ? এ বার মুখ খুললেন বীরু নিজেই। জানালেন ১৯৯৯ সালের ঘটনার কথা। 

আর.জে. রউনাকের ইউটিউব চ্যানেল তেরা জাবাব নেহিতে ইন্টারভিউ দিতে গিয়ে সবটা প্রকাশ করেন বীরেন্দ্র সেহওয়াগ। তিনি জানান নিজের অভিষেক ম্যাচের কথা। ১৯৯৯ সালে শোয়েব আখতার, শোয়েব আফ্রিদি, মহম্মদ ইউসুফরা বীরেন্দ্র সেহওয়াগকে প্রচুর গালাগালি দিয়ে তাঁকে বাইশ গজে স্বাগত জানিয়েছিলেন। যা চুপ করে শুনতে হয়েছিল বীরুকে। ১৯৯৯ সালের সেই ঘটনা কোনও দিনও ভুলতে পারেননি বীরু। সেই কারণে পরে যখন তিনি বাইশ গজে নামতেন এবং পাকিস্তান দলকে দেখতেন তখনই তাঁর মধ্যে বদলা নেওয়ার একটা ভাবনা তৈরি হত এবং তিনি পাকিস্তানের বোলারদের বিরুদ্ধে নিষ্ঠুর হয়ে উঠতেন।

সেহওয়াগ জানান, ‘আমার বয়স তখন প্রায় ২০-২১  বছর হবে। আমি ব্যাট করতে গেলাম, শহিদ আফ্রিদি, শোয়েব আখতার, মহম্মদ ইউসুফ এবং পাকিস্তান দলের অন্যান্য সদস্যরা আমাকে অনেক গালি দিয়ে স্বাগত জানালেন, যা আমি আগে কখনও শুনিনি। আমি কিছুটা পাঞ্জাবি বুঝেছিলাম তাই আমি আমার উপর যে অপব্যবহার করা হয়েছিল তা বুঝতে পারি কিন্তু আমি খুব বেশি কিছু বলতে পারিনি কারণ এটি আমার প্রথম ম্যাচ ছিল এবং আমি নিজেও নার্ভাস ছিলাম। প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার মানুষ ম্যাচটা দেখতে এসেছিল এবং এত মানুষের সামনে খেলার কথা আমি কল্পনাও করিনি তখন। অত কথা শোনার পরেও আমি কিছু করতে পারিনি, কিন্তু পরে যখন আমি একজন পরিণত খেলোয়াড় হয়েছি, তখন আমি নিশ্চিত করেছিলাম যে আমি তাদের সবটা ফেরত দেব।’

বন্ধ করুন