বাংলা নিউজ > ময়দান > WI vs BAN: হোয়াইওয়াশ বাংলাদেশ, দ্বিতীয় টেস্টেও ১০ উইকেটে লজ্জার হার শাকিবদের
বাংলাদেশকে হারিয়ে সিরিজ জিতে নিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

WI vs BAN: হোয়াইওয়াশ বাংলাদেশ, দ্বিতীয় টেস্টেও ১০ উইকেটে লজ্জার হার শাকিবদের

  • তৃতীয় দিনের শেষে ৬ উইকেটে ১৩২ রান ছিল বাংলাদেশের। সেখান থেকে তারা চতুর্থ দিন মাত্র ৫৪ রান যোগ করে। ১৮৬ রানেই শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। মাত্র ১২ রানের লিড পায় তারা। অর্থাৎ জিততে হলে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১৩ রান করতে হত। যা দুই ওপেনার ক্রেগ ব্রাথওয়েট এবং জন ক্যাম্পবেল হাসতে হাসতে সহজেই করে ফেলেন।

বাংলাদেশের ব্যাটারদের একেবারে ল্যাজেগোবরে দশা। যার জেরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে পরপর ২ টেস্টে মুখ থুবড়ে পড়ল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় টেস্টে এক দিন বাকি থাকতেই একেবারে ১০ উইকেটে লজ্জাজনক ভাবে হারলেন শাকিব আল হাসানরা। পাশাপাশি টেস্ট সিরিজে তাঁরা ক্যারিবিয়ানদের কাছে হোয়াইওয়াশ হল। প্রসঙ্গত, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টও ৭ উইকেটে হারতে হয়েছিল বাংলাদেশকে।

তৃতীয় দিনের শেষে ৬ উইকেটে ১৩২ রান ছিল বাংলাদেশের। সেখান থেকে তারা চতুর্থ দিন মাত্র ৫৪ রান যোগ করে। ১৮৬ রানেই শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। মাত্র ১২ রানের লিড পায় তারা। অর্থাৎ জিততে হলে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১৩ রান করতে হত। যা দুই ওপেনার ক্রেগ ব্রাথওয়েট এবং জন ক্যাম্পবেল হাসতে হাসতে সহজেই করে ফেলেন। সেই সঙ্গে চতুর্থ দিনেই ১০ উইকেটে ম্যাচ জিতে সিরিজ পকেটে পুড়ে ফেলল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

টস হেরে শুরুতে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ তাদের প্রথম ইনিংসে অল-আউট হয়ে যায় মাত্র ২৩৪ রানে। লিটন দাস (৫৩) এবং তামিম ইকবাল (৪৬) ছাড়া বাকিরা কেউই তেমন প্রতিরোধ গড়তে পারেননি। আধিনায়ক শাকিব ৮ রান করে আউট হন।

আরও পড়ুন: অসহায় আত্মসমর্পণ শাকিবদের, ‘৭ ওভারেই’ বাংলাদেশকে হারিয়ে দিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ

প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়ডেন সিলস এবং আলজারি জোসেফ ৩টি করে উইকেট নিয়েছেন। ২টি করে উইকেট নিয়েছেন অ্যান্ডারসন ফিলিপ এবং কাইল মায়ের্স।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৪০৮ রানে অল আউট হয়। ১৭৪ রানের বড় লিড পায় ক্যারিবিয়ানরা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুই ওপেনার ক্রেগ ব্রাথওয়েট ৫১, জন ক্যাম্পবেল ৪৫ করে আউট হন। এ ছাড়া রেমন রেইফার করেন ২২ রান। এনক্রুমাহ বোনার অবশ্য ডাক করে সাজঘরে ফেরেন। জারমেইন ব্ল্যাকউড ৪০ করে আউট হন। তবে দলের হাল শক্ত হাতে ধরেন কাইল মায়ের্স।

আরও পড়ুন: ‘ওর যদি মনে হয় বিশ্রাম নিতেই পারে’, প্রাক্তন অধিনায়ককে বাদ দিতে চাইছেন শাকিব?

মায়ের্স ২০৮ বলে ১৪৬ রান করেন। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ১৮টি চার এবং ২টি ছক্কা। এ ছাড়া জোসুয়া দ্য় সিলভা ২৯, আলজারি জোসেফ ৬, কেমার রোচ অপরাজিত ১৮, অ্যান্ডারসন ফিলিপ ৯, জয়ডেন সিলস ৫ রান করেছেন। বাংলাদেশের খালিদ আহমেদ একাই ৫ উইকেট নিয়েছেন। মেহেদি হাসান নিয়েছেন ৩ উইকেট। শোরিফুল ইসলাম নিয়েছেন ২ উইকেট।

বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংসের শুরু থেকেই উইকেট পতন শুরু হয়। দলের মাত্র ৪ রানের মাথায় সাজঘরে ফেরেন তামিম ইকবাল। তামিম নিজেই ৪ রান করেন। আর এক ওপেনার মাহমুুদুল হাসান ১৩ রান করে আউট হন। এ ছাড়া আনামুল হক ৪, লিটন দাস ১৯, শাকিব আল হাসান ১৬ করে সাজঘরে ফেরেন। নাজমুল হকের ৪২ রান এবং নুরুল হাসানের অপরাজিত ৫০ বলে ৬০ রান যেটুকু অক্সিজেন। যার জেরে ইনিংসে হারতে হয়নি বাংলাদেশকে। এ ছাড়া মেহেদি হাসান ৪ করে আউট হন। আর টেল এন্ডারের তিন ব্যাটার এবাদত হোসেন, শরিফুল ইসলাম এবং খালিল আহমেদ তিন জনেই শূন্য করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের কেমার রোচ আলজারি জোসেফ এবং জয়ডেন সিলস ৩টি করে উইকেট নিয়েছেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ক্রেগ ব্রাথওয়েট অপরাজিত ৪ এবং জন ক্যাম্পবেল অপরাজিত ৯ করে সহজ জয় ছিনিয়ে নেন।

বন্ধ করুন