বাংলা নিউজ > ময়দান > সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের এই মজার কারণে অভিষেক ম্যাচের আগে ঘুমাতেই পারেননি যুবরাজ সিং
সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে যুবরাজ সিং (ছবি-এএফপি)

সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের এই মজার কারণে অভিষেক ম্যাচের আগে ঘুমাতেই পারেননি যুবরাজ সিং

  • ভারতের প্রাক্তন টেস্ট ক্রিকেটার যুবরাজ সিং জানিয়েছেন যে ২০০০ সালে আইসিসি নকআউট টুর্নামেন্টে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাঁর ঐতিহাসিক প্রথম ইনিংসের আগে অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় একটি রসিকতা করেছিলেন। যে কারণে তিনি সারা রাত ঘুমাতেই পারেননি।

সিক্সার কিং নামে পরিচিত যুবরাজ সিং তাঁর অভিষেক ইনিংসের আগের রাতে ঘুমাতেই পারেননি। ম্যাচের আগের রাতে অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ঘুম উড়িয়ে দিয়েছিলেন যুবরাজের। কীভাবে যুবির সঙ্গে রসিকতা করেছিলেন মহারাজ তা জানিয়েছেন যুবরাজ সিং। সিক্সার কিং তাঁর প্রথম আন্তর্জাতিক ইনিংসে ৮৪ রান করেছিলেন। ভারতের প্রাক্তন টেস্ট ক্রিকেটার যুবরাজ সিং জানিয়েছেন যে ২০০০ সালে আইসিসি নক আউট টুর্নামেন্টে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাঁর ঐতিহাসিক প্রথম ইনিংসের আগে অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় একটি রসিকতা করেছিলেন। যে কারণে তিনি সারা রাত ঘুমাতেই পারেননি।

‘হোম অফ হিরোস’ ইভেন্টে সঞ্জয় মঞ্জরেকরকে একটি মজার ঘটনা বলেছিলেন যুবরাজ সিং। তিনি বলেন, তার অভিষেক ম্যাচের আগের সন্ধ্যায় সৌরভ ১৮বছর বয়সীকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন যে তিনি ওপেনার হিসাবে খেলতে প্রস্তুত কিনা। যুবরাজ বলেন, ‘আমি তাকে বলেছিলাম যে তিনি যদি চান তবে আমি অবশ্যই ওপেন করব। এর পর আমি সারা রাত ঘুমাতে পারিনি।’

টুর্নামেন্টে কেনিয়ার বিরুদ্ধে যুবরাজের অভিষেক হলেও সেই ম্যাচে ব্যাট করেননি তিনি। পরদিন সকালে সৌরভ তাঁকে বলেন যে তিনি মজা করেছিলেন এবং নিজেই সচিন তেন্ডুলকরের সঙ্গে ইনিংসের ওপেন করেন। সেই টুর্নামেন্টে ভারত বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ২৬৫ রান করে। সেই ম্যাচে যুবরাজ ৮৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন। এই ম্যাচের কথা স্মরণ করে যুবরাজ বলেন,‘আমি পাঁচ নম্বরে ব্যাট করেছিলাম এবং অনেক চাপের মধ্যে ছিলাম। তবে, যখন আমি ব্যাট করতে আসি, তখন আমার মনোযোগ ছিল শুধু বলের দিকে।’

যুবরাজের সামনে অস্ট্রেলিয়ার সুপরিচিত স্লেজিংয়ের পাশাপাশি বোলিং অর্ডারে গ্লেন ম্যাকগ্রা,জেসন গিলেস্পি, ব্রেট লির মতো নাম উপস্থিত ছিল। ৩৭ স্কোরে লাইফলাইনও পেয়েছিলেন তিনি। এই বিষয়ে যুবরাজ বলেন,‘সেই বোলিং লাইন আপের গুণমান এমন ছিল যে আপনি যদি আমাকে আজ বলেন যে আমি আমার প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে মাত্র ৩৭রান করেছি, আমি সন্তুষ্ট হতাম।আমি সৌভাগ্যবান যে আমি ৮৪ করেছি এবং স্বাভাবিক খেলার সাহায্যে বলটি কাছে নিয়ে গিয়ে জোরে আঘাত করেছি। অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচের শিরোপা জেতাটা আমার জন্য অনেক বড় ব্যাপার ছিল।’

এই ম্যাচে মাইকেল বেভানকে রানআউট করে জয়ে অবদানও রেখেছিলেন যুবরাজ। ভারত সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারায় কিন্তু ফাইনালে অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরি সত্ত্বেও নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে যায়। যাইহোক, যুবরাজ ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ২০১১ পঞ্চাশ-ওভারের বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য ছিলেন। উভয় ক্ষেত্রেই ভারতের হয়ে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছিলেন।

বন্ধ করুন