বাংলা নিউজ > টেকটক > Gaganyaan: রাশিয়ার পর এবার ভারতেই প্রশিক্ষণ চার মহাকাশচারীর
ফাইল ছবি : ইসরো (ISRO)
ফাইল ছবি : ইসরো (ISRO)

Gaganyaan: রাশিয়ার পর এবার ভারতেই প্রশিক্ষণ চার মহাকাশচারীর

রাশিয়ার কঠিন ট্রেনিং শেষের দিকে। আগামী মে-জুন মাস নাগাদ দেশে ফিরবেন তাঁরা। তারপর শুরু হবে ভারতীয় পর্যায়ের প্রশিক্ষণ।

খুব শীঘ্রই দেশে ফিরছেন চার হবু নভোশ্চর। রাশিয়ার কঠিন ট্রেনিং শেষের দিকে। আগামী মে-জুন মাস নাগাদ দেশে ফিরবেন তাঁরা। তারপর শুরু হবে ভারতীয় পর্যায়ের প্রশিক্ষণ।

গগনযান অভিযানের মাধ্যমে ভারত প্রথমবার মহাকাশে নভোশ্চর পাঠাতে চলেছে। বহু কঠোর নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এর জন্য চার বায়ুসেনার বিমানচালককে বেছে নেওয়া হয়েছে।

আপাতত রাশিয়ায় গ্যাগারিন নভোশ্চর প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রশিক্ষণ চলছে চার হবু মহাকাশযাত্রীর। সেখানে বিভিন্ন প্রতিকূল পরিস্থিতিতে কাজ করার প্রশিক্ষণ চলছে তাঁদের। বরফ, জল ও বেশি উত্তাপের মধ্যেও কাজ করা, প্যারাবলিক ফ্লাইট, যন্ত্রাংশের ব্যবহার, মহাকাশে দিকনির্ণয় ইত্যাদি সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে তাঁদের।

ISRO-এর স্পেসস্যুট। ছবি : ইসরো
ISRO-এর স্পেসস্যুট। ছবি : ইসরো (ISRO)

এরপর মে-জুন মাসে ভারতে ফিরে আসবেন তাঁরা। এখানে এসে হিউম্যান স্পেসফ্লাইট সেন্টারের প্রধান উন্নিকৃষ্ণন নায়ারের তত্ত্বাবধানে তাঁদের প্রশিক্ষণ শুরু হবে।

উন্নিকৃষ্ণনের কথায়, 'ভারতের ক্রু মজিউল, যন্ত্রাংশের ধরণ, হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের উপর আলাদা করে প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। সেটাই ট্রেনিংয়ের ভারতীয় অংশের মূল প্রতিপাদ্য।'

চার হবু মহাকাশযাত্রীর প্রশিক্ষণের জন্য তৈরী হয়েছে বিশেষজ্ঞদের দল। বিভিন্ন সিমুলেশানের মাধ্যমে প্রায় হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। এই অভিযানের জন্য যে যে বিষয়ে পারদর্শীতা প্রয়োজন, তাতেই দেওয়া হবে জোর।

অভিযানে প্রযুক্তিগত দিক থেকে যাতে বিন্দুমাত্র গলদ না থাকে সেই দিকটাতেই জোর দিচ্ছে ইসরো। সেই জন্য গঠিত হয়েছে একটি বিশেষ হিউম্যান রেটিং সার্টিফিকেশান-এর ব্যবস্থাও। মহাকাশ অভিযাত্রীদের নিয়ে কোনও রকম ঝুঁকি যাতে না থাকে সেটাই মূল লক্ষ্য।

অভিযানের জন্য ব্যবহার করা হবে বিকাশ ইঞ্জিন ও একটি ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিন। চলতি বছরের শেষে সলিড বুস্টার ইঞ্জিন ও ক্রু এস্কেপ সিস্টেমের উপরেও যাচাই প্রক্রিয়া শুরু করবে ইসরো।

তাছাড়া মহাকাশ থেকে অভিযাত্রীদের ফেরার সময়ে মজিউলটি সমুদ্রে নেমে আসার কথা। সেক্ষেত্রে ভারতীয় নেভির সঙ্গেও সহায়তার আলোচনা হয়েছে।

যদিও করোনা পরিস্থিতির কারণে ইসরোর বেশ কিছু অভিযানের নির্ঘণ্ট পিছিয়ে দিতে হয়েছে। গগনযানের আগে দুটি রিমোট অভিযান সম্পন্ন করার কথা ইসরোর। একটি ২০২১ সালের ডিসেম্বরে ও একটি ২০২২ থেকে ২৩ সালের মধ্যে। মহাকাশ গবেষণা মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী জীতেন্দ্র সিং-এর কথায়, 'দুটি অভিযান সফল করাই এখন লক্ষ্য। দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার জন্য সচেষ্ঠ ইসরো।' প্রসঙ্গত, গত ২০১৮ সালের স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী গগনযান অভিযানের কথা ঘোষণা করেন।

বন্ধ করুন