বাংলা নিউজ > টেকটক > গ্রহাণুতে ‘বোম’ NASA'র! লঞ্চ 'ডার্ট মিশনের'
ছবি : নাসা (NASA)
ছবি : নাসা (NASA)

গ্রহাণুতে ‘বোম’ NASA'র! লঞ্চ 'ডার্ট মিশনের'

  • এই মিশনে দেখা যাচ্ছে, বোম মেরে কীভাবে কোনও গ্রহাণুর গতিপথ বদলে দেওয়া সম্ভব।

বোম মেরে কোনও গ্রহাণুর গতিপথ কি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে মানুষ? তারই উত্তর মিলছে নাসার DART মিশনে।

মিশনটির উদ্দেশ্য

পৃথিবীর দিকে যদি কোনওদিন কোনও গ্রহাণু ধেয়ে আসে, তবে তার গতিপথ বদলে দেওয়ার প্রস্তুতিই এই মিশনের উদ্দেশ্য। এই মিশনে দেখা হচ্ছে, বোম মেরে কীভাবে কোনও গ্রহাণুর গতিপথ বদলে দেওয়া সম্ভব।

সেই কারণেই এটিকে গ্রহ প্রতিরক্ষা মিশন বলছে নাসা। ডাবল অ্যাস্টেরয়েড রিডাইরেকশন টেস্ট বা সংক্ষেপে ডার্ট। DART মহাকাশযানটি ক্যালিফোর্নিয়ার ভ্যানডেনবার্গ এয়ার ফোর্স বেস থেকে স্পেসএক্স ফ্যালকন ৯ রকেটে করে এদিন উৎক্ষেপণ করা হয়েছে।

DART মহাকাশযানটি মেরিল্যান্ডের জনস হপকিন্স অ্যাপ্লাইড ফিজিক্স ল্যাবরেটরি দ্বারা নির্মিত এবং নিয়ন্ত্রিত। প্রকল্পটি নাসার প্ল্যানেটারি ডিফেন্স কোঅর্ডিনেশন অফিস দ্বারা পরিচালিত।

মিশনের মূল লক্ষ্য ডিমারফস নামক একটি গ্রহাণু। এই দুই অংশ-যুক্ত একটি গ্রহাণুর অংশ। Dimorphos হল একটি ছোট 'মুনলেট' যা Didymos নামে একটি বড় গ্রহাণুকে প্রদক্ষিণ করে। Didymos প্রায় ৭৮০ মিটার জুড়ে রয়েছে। অন্যদিকে Dimorphos ১৬০ মিটার। DART এর লক্ষ্যে পৌঁছাতে প্রায় এক বছর সময় লাগবে বলে মনে করা হচ্ছে।

ক্লেটন ক্যাসিলি DART-এর একজন মিশন ম্যানেজার। তিনি ব্যাখ্যা করেছেন যে লক্ষ্যবস্তু গ্রহাণু সিস্টেমটি কোনওভাবেই পৃথিবীর জন্য বিপদজনক নয়। মিশনের উদ্দেশ্য হল একটি প্রতিরক্ষামূলক পদ্ধতি প্রদর্শন করা। এটি ভবিষ্যতে কোনও গ্রহাণু পৃথিবীর দিকে ধেয়ে এলে কাজে লাগানো যাবে। তখন আর হাত গুটিয়ে বসে থাকতে হবে না।

আরও পড়ুন : আগামী ২০৬৮ সালে আছড়ে পড়বে এই গ্রহাণু? জবাব দিল নাসা

NASA এবং এর আন্তর্জাতিক অংশীদাররা ক্রমাগত আকাশে পৃথিবীর নিকটস্থ বস্তুর (NEOs) নজরদারি করেন। এই ধরনের 'বস্তুর' মধ্যে রয়েছে গ্রহাণু এবং ধূমকেতু। পৃথিবীর কক্ষপথের ৫০ মিলিয়ন কিলোমিটারের মধ্যে আসে এমন সবকিছুই নজরে রাখা হয়। বিজ্ঞানীদের অনুমান, কোটি কোটি গ্রহাণু এবং ধূমকেতু আমাদের সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে।

বন্ধ করুন