বাংলা নিউজ > টেকটক > E-Scooter: ২ মিনিটে ব্যাটারি পাল্টে নেওয়াই কি সেরা উপায়?
প্রতীকী ছবি : গ্রাভটন মোটর্স   (Gravton Motors)

E-Scooter: ২ মিনিটে ব্যাটারি পাল্টে নেওয়াই কি সেরা উপায়?

এই ফর্মুলাতেই বাজিমাত করছেন ব্যাঙ্গালুরুর ডেলিভারি চালকরা। আর তারপরেই প্রশ্ন উঠছে, ই-স্কুটার, ই-গাড়ির ক্ষেত্রেও কি এই ফর্মুলাই ভবিষ্যত?

ইলেকট্রিক অটো রিকশায় ডেলিভারি। কিন্তু একবার ব্যাটারি শেষ হলেই তো খেল খতম? না। এর উত্তরটা খুবই সহজ। সোয়াপেবল ব্যাটারি। ডেলিভারি হাবেই চার্জে থাকবে এক্সট্রা ব্যাটারি। সময় মতো এসে পাল্টাপাল্টি করে নিলেই হল। চার্জে বসিয়ে দিতে হবে পুরনো ব্যাটারিটা।

এই ফর্মুলাতেই বাজিমাত করছেন ব্যাঙ্গালুরুর ডেলিভারি চালকরা। আর তারপরেই প্রশ্ন উঠছে, ই-স্কুটার, ই-গাড়ির ক্ষেত্রেও কি এই ফর্মুলাই ভবিষ্যত?

বর্তমানে ই-রিক্সা, ই-স্কুটার বা ই-গাড়ি চার্জিংয়ের একমাত্র উপায় তা গ্যারাজ বা চার্জিং স্টেশনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাখা। ফাস্ট চার্জিংয়ের প্রযুক্তিতে খুব ইতিবাচক ভাবলেও ১ ঘণ্টা লাগবে।

এদিকে পেট্রোলচালিত যানবাহনে ১-২ মিনিটেই রিফুয়েল করে নেওয়া যায়। এই সুবিধার কারণেই অনেকেই ই-যানের দিকে এগোতে চান না। মাঝপথে চার্জ শেষ হলে কী হবে? প্রশ্ন তাঁদের।

এদিকে আগামিদিনে ইলেকট্রিক যান আসবেই। এটা অনিবার্য। ফলে তখন এই 'ব্যাটারি সোয়াপই' একমাত্র উপায় হতে পারে, মত বিশেষজ্ঞদের। চার্জিং স্টেশনগুলিতে ব্যাটারি পাল্টে নেওয়ার পদ্ধতি থাকা প্রয়োজন বলে মত তাঁদের।

গত মাসে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের বাজেট বক্তৃতারও কেন্দ্রে ছিল ব্যাটারি অদলবদল। সরকার এই শিল্পকে উত্সাহিত করার জন্য নীতি তৈরি করছে। তিনি বলেন, ভারতের জনবহুল শহুরে অঞ্চলে স্থানের অভাবের কারণে চার্জিং পরিকাঠামো স্থাপন করা কঠিন।

বন্ধ করুন