বাংলা নিউজ > দেখতেই হবে > KKR vs MI: হাতের মুঠোয় থাকা ম্যাচ কীভাবে হারতে হয়, উদাহরণ রাখল নাইট রাইডার্স, দেখুন ভিডিও

KKR vs MI: হাতের মুঠোয় থাকা ম্যাচ কীভাবে হারতে হয়, উদাহরণ রাখল নাইট রাইডার্স, দেখুন ভিডিও

আইপিএলে কঠিন পরিস্থিতি থেকে দুরন্ত কামব্যাকে ম্যাচ জিততে দেখা গিয়েছে অনেক দলকেই। তবে হাতের মুঠোয় থাকা ম্যাচ কোনও দলকে এভাবে হেরে আসতে দেখা গিয়েছে কদাচিৎই। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কাছে ঠিক এমনভাবেই নিশ্চিত জেতা ম্যাচ হাতছাড়া করে কলকাতা নাইট রাইডার্স।

 

শুরু থেকে ম্যাচের রাশ ছিল কলকাতার হাতে। বোলারদের সমবেত প্রচেষ্টায় মুম্বইয়ের মতো তারকাখচিত ব্যাটিং লাইনআপকে ১৫২ রানে অল-আউট করে দেয় কলকাতা। সূর্যকুমার যাদব ও রোহিত শর্মা ব্যাট হাতে লড়াই চালান। সূর্যকুমার ৭টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে ৩৬ বলে ৫৬ রান করে আউট হন। রোহিত ৩টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ৩২ বলে ৪৩ রান করেন।

 

আন্দ্রে রাসেল ২ ওভার বল করে ১৫ রানের বিনিময়ে ৫ উইকেট দখল করেন। প্যাট কামিন্স ২৪ রানে ২ উইকেট নেন। এছাড়া শাকিব ২৩ রানে ১টি, বরুণ ২৭ রানে ১টি ও প্রসিধ ৪২ রানে ১টি উইকেট পকেটে পোরেন।

 

জবাবে ব্যাট করতে নেমে কলকাতা একসময় ১৫ ওভারে ৪ উইকেটের বিনিময়ে ১২২ রান তুলে ফেলে। সুতরাং ৬ উইকেট হাতে নিয়ে শেষ ৫ ওভারে জয়ের জন্য কেকেআরের প্রয়োজন ছিল মাত্র ৩১ রান। সেখান থেকে নাইট রাইডার্স ২০ ওভারে ৭ উইকেটের বিনিময়ে ১৪২ রানে আটকে যায়।

 

শেষ ৫ ওভারে কলাকতা যথাক্রমে ১, ৮, ৩, ৪ ও ৪ রান তোলে। অর্থাৎ শেষ ৫ ওভারে ২০ রান তোলে কলকাতা। মুম্বই ১০ রানে ম্যাচ জিতে যায়। ব্যর্থ হয় নীতিশ রানা ও শুভমন গিলের লড়াই। রানা ৬টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে ৪৭ বলে ৫৭ রান করেন। গিল ৫টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ২৪ বলে ৩৩ রান করে আউট হন।

 

২৭ রানের বিনিময়ে ৪টি উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হন রাহুল চাহার। ট্রেন্ট বোল্ট নেনে ২৭ রানে ২টি উইকেট। ক্রুণাল পান্ডিয়া ৪ ওভারে মাত্র ১৩ রান খরচ করে ১ উইকেট পকেটে পোরেন।