By Tulika Samadder
Published 22 Jan, 2024

Hindustan Times
Bangla

শীতে বাচ্চাকে সকালে দিন ১ চামচ গরম ঘি, তাতে মেশান এই শুকনো মশলা

আয়ুর্বেদে ঘি-কে নাম দেওয়া হয়েছে তরল সোনা। ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে বাচ্চার বয়স ৬ মাস হওয়ার পর থেকেই তার ডায়েটে ধীারে ধীরে ঘি যোগ করা যেতে পারে।

শীতকালে সর্দি-কাশি ও ফ্লু প্রতিরোধ করতে ঘি-এর জুরি মেলা ভার। ঘি-তে রয়েছে ভিটামিন এ, ডি, ই, কে-এর পাশাপাশি ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। 

ঘিতে থাকা কনজুগেটেড লিনোলিক অ্যাসিড (CLA) স্বাস্থ্যকর ওজন বাড়াতে সাহায্য করে। 

ভিটামিন এ, ডি, ই, কে-তে সমৃদ্ধ ঘি হাড়ের গঠনের ক্ষেত্রে ভীষণভাবে জরুরি। 

ঘি শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশেও বিশেষভাবে সাহায্য করে। দৃষ্টিশক্তির জন্য ঘি-তে থাকা ভিটামিন খুব কার্যকরী। 

বাচ্চা প্রতিদিন এক চামচ ঘি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য-সহ সমস্ত হজমের সমস্যা দূর হয়। সঙ্গে এটির শিশুর ক্ষুধাও বাড়ায়। 

যেই বাচ্চারা ল্যাকটোজ ইনটলারেন্সের সমস্যায় ভুগছেন, তাঁরাও ঘি রাখতে পারে ডায়েটে। 

ঘি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের একটি ভালো উৎস। আর তাই শিশুকে এটি দিলে তা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।  

 ১ চামচ ঘি একটু গরম করে নিন। তাতে ১ট লবঙ্গ দেবেন। এবার ঘি গরম হয়ে এলে লবঙ্গটা উঠিয়ে ফেলে দিন। এরপর উষ্ণ অবস্থায় বাচ্চাকে এই ঘি খাওয়ান। 

রোজ সকালে ঘি আর লবঙ্গ দিতে পারলে মাসখানেকের ভিতরেই টের পাবেন উপকার।