পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। ফাইল ছবি
পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। ফাইল ছবি

রাজ্যপালের ধমক খেলেন বারাকপুরের পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা

  • অনুষ্ঠান সেরে বেরোনোর সময় মনোজ ভার্মাকে তীব্র ভর্ৎসনা করেন রাজ্যপাল। বলেন, ‘অনুষ্ঠানে সামনের সারিতে বসে আপনি খবরের কাগজ পড়ছেন।

শান্তি তো দূর অস্ত, গান্ধীজির মৃত্যুদিনে ফের একবার রাজ্যের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে গেলেন রাজ্যপাল। বারাকপুরের গান্ধীঘাটে রাজ্যপালের ধমক খেলেন বারাকপুরের পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা। রাজ্যপালের আচরণ নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রাজ্যের ২ মন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার গান্ধীজির মৃত্যুদিনে বারাকপুরে গান্ধী মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানাতে জান রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। সেখানে রাজ্যের তরফে হাজির ছিলেন ২ বরিষ্ঠ মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় ও শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। ছিলেন বারাকপুরের পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা।

অনুষ্ঠান সেরে বেরোনোর সময় মনোজ ভার্মাকে তীব্র ভর্ৎসনা করেন রাজ্যপাল। বলেন, ‘অনুষ্ঠানে সামনের সারিতে বসে আপনি খবরের কাগজ পড়ছেন। আপনি এরকম করলে সাধারণ মানুষ কী করবে? উর্দির মর্যাদা মাটিতে মিশিয়ে দিচ্ছেন আপনারা।‘

এর পর রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন রাজ্যপাল। বলেন, ‘হিংসায় জড়িতদের চিহ্নিত করা হচ্ছে না। সেই তালিকা দ্রুত তৈরি করুন। নইলে আমি তালিকা তৈরিতে হাত লাগাবো। রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বলে কিছু অবশিষ্ট নেই। তার পরেও পুলিশ প্রশাসন চুপ করে বসে আছে।‘

রাজ্যপালের এহেন মন্তব্যে বেজায় ক্ষুব্ধ রাজ্যের মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। পরে সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘উনি কী বলেছেন জানি না। সরকার তার সৌজন্য মেনে চলেছে। উনি আমাদের অসম্মান করলে আমরা চারগুণ অসম্মান করব।’

রাজ্যপালের আচরণে অখুশি আরেক মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ও। তিনি বলেন, ‘ওনাকে অভ্যর্থনা জানানোর জন্য আমি ও পুলিশ কমিশনার পাশাপাশি দাঁড়িয়ে ছিলাম। উনি গাড়ি মনোজ ভার্মার সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করলেও আমার দিকে উনি তাকালেনও না। তার পর বেরিয়ে এমন সব কথা বললেন যার সঙ্গে গান্ধীজির কোনও সম্পর্ক নেই।’



বন্ধ করুন