বাংলা নিউজ > টুকিটাকি > Children's Day Speech in Bengali: শিশুদিবসে কিছু বলতে হবে? স্কুলে বক্তৃতার জন্য দারুণ একটা ভাষণ রইল এখানে

Children's Day Speech in Bengali: শিশুদিবসে কিছু বলতে হবে? স্কুলে বক্তৃতার জন্য দারুণ একটা ভাষণ রইল এখানে

শিশুদিবসে কিছু বলতে হলে, কী বলবেন?

Children's Day Speech in Bengali: বাংলায় শিশুদিবস নিয়ে কিছু বলতে হবে? তাহলে নমুনা রইল এখানে।  

শিশুদিবস ভারতের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। প্রতি বছর ১৪ নভেম্বর পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর জন্মদিনটি শিশু দিবস হিসেবে পালিত হয়। দিনটি উৎসর্গ করা হয় দেশের শিশুদের জন্য।

শিশুদের প্রতি‌ নেহরুর অনুরাগ, ভালোবাসা এবং স্নেহ ছিল। ১৮৮৯ সালের ১৪ নভেম্বর এলাহাবাদে জন্মগ্রহণ করেন দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী। শিশু দিবসে স্কুলগুলোতে বিভিন্ন ধরনের প্রতিযোগিতা হয়। খেলাধুলা, বিতর্ক সেমিনার, সঙ্গীত,‌ নৃত্য, প্রবন্ধ, বক্তৃতা, চিত্রাঙ্কন ইত্যাদিতে মেতে থাকে ছোট ছোট বাচ্চারা। বিজয়ীদের বিভিন্ন পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়।

নেহরুর মতে, শিশু দিবস জাতির ভবিষ্যৎ নেতাদের মধ্যে গুণের বীজ বপনের দিন। সুশিক্ষা, ভালোবাসার মাধ্যমে এই বীজগুলো বেড়ে উঠবে, দেশের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করবে। এইদিন বিভিন্ন স্কুলেই বাচ্চারা শিশু দিবস নিয়ে নানা বক্তব্য পাঠ করে থাকে। তেমনই একটি বক্তব্যের নমুনা থাকল এই প্রতিবেদনে।

শিশুদিবসের বক্তৃতা:

সম্মানিত অধ্যক্ষ, শিক্ষক এবং আমার প্রিয় বন্ধুরা। আপনাদের সকলকে শিশু দিবসের শুভেচ্ছা....

আজ আমরা সবাই ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী পন্ডিত জওহরলাল নেহরুর ১৩৩তম জন্মবার্ষিকী এবং শিশু দিবস উদযাপন উপলক্ষে এখানে জড়ো হয়েছি। শিশুদের প্রতি পন্ডিত জওহরলাল নেহরুর ছিল অগাধ স্নেহ। শিশুদেরই তিনি জাতির আসল শক্তি এবং সমাজের ভিত্তি হিসাবে বিবেচনা করতেন। এই কারণেই তাঁর জন্মদিন, ১৪ নভেম্বর সারা দেশে শিশু দিবস হিসাবে পালিত হয়। শিশুরাও তাঁকে আদর করে চাচা নেহরু বলে ডাকত।

এই দেশকে ব্রিটিশ মুক্ত করতে চাচা নেহরুর গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল। তিনি একজন মহান মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতা লাভের পর তাঁর নেতৃত্বের যোগ্যতার পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে দেশের শাসনভার দেওয়া হয়। কঠিন পরিস্থিতিতে তিনি সফলভাবে দেশের হাল ধরেন এবং দেশকে উন্নতির দিকে এগিয়ে যান। আজ তাঁকে স্মরণ করে শ্রদ্ধা জানানোর দিন।

চাচা নেহরু বলতেন, আজকের শিশুরাই আগামীর ভারত গড়বে, আমরা যত ভালো করে শিশুদের যত্ন নেব, ততই উন্নত জাতি গড়ে উঠবে। তাই এই দিনে শিশুকল্যাণের কথা বলা প্রয়োজন। প্রকৃতপক্ষে, শিশু দিবস শুরু করার আসল উদ্দেশ্য ছিল শিশুদের চাহিদাকে স্বীকৃতি দেওয়া, তাদের অধিকার রক্ষা করা এবং তাদের শোষণ রোধ করা। এর উদ্দেশ্য ছিল যাতে শিশুরা ঠিকভাবে বড় ও প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।

কিন্তু সত্যিটা হল আজও দেশে হাজার হাজার শিশু শিশুশ্রমের সঙ্গে জড়িত। তারা সঠিকভবে শিক্ষার অধিকার পাচ্ছে না। শিশুশ্রমের সমস্যা দেশের প্রতিটি রাজ্যেই রয়েছে। ছোট বাচ্চাদের কারখানা, দোকান, হোটেল ইত্যাদিতে শ্রমিকের মতো কাজ করানো হয়।

এই শিশু দিবসে আমাদের অঙ্গীকার করা হোক, আমরা যেন শিশু নির্যাতন ও শিশুশ্রম বন্ধ করার উদ্যোগ নিই। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা দেওয়ার জন্য আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করব। আমাদের এই অঙ্গীকারই পারে নেহরুর স্বপ্নের জাতি গড়ে তুলতে। এই কথা জানিয়ে আজ আমার বক্তব্য শেষ করছি।

আপনাদের সবাইকে আবারও শিশু দিবসের শুভেচ্ছা। সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।‌

টুকিটাকি খবর
বন্ধ করুন

Latest News

কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে সরিয়ে টিকিট নবাগতা বাঁশুরিকে! BJPর প্রার্থী তালিকায় বহু চমক বিনা যুদ্ধে তৃণমূলকে উপহার, বিজেপির প্রার্থী তালিকা দেখে আর কী লিখলেন দেবাংশু? শ্রীময়ীর সিঁথি সিঁদুরে রাঙিয়ে দিলেন কাঞ্চন, দেখুন বিয়ের পর প্রথম ছবি গায়ে হলুদে বরের গাল ধরে আদর শ্রীময়ীর, সন্ধ্যায় সারলেন কাঞ্চনের সঙ্গে মালাবদল প্লে-অফ নিশ্চিত মুম্বই আর ওড়িশার, এদিকে বাগান নেমে গেল তিনে,পতন হল লাল-হলুদেরও ১০০০ নিউ জেনারেশন অমৃত ভারত, ২৫০ কিমিতে ছুটবে ট্রেন, বিরাট আশ্বাস রেলমন্ত্রীর 'শরীর-ই সব...' ভরা মঞ্চে হুংকার শিলাজিতের, ভক্তদের শেখালেন কোন 'পাঠ'? Warning for Windows 10 and 11 Users: হতে পারে বড় বিপদ, সতর্ক করল কেন্দ্র দুঃস্থ পথসিশুদের মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছেন, অমরেশের দাদাগিরিতে মুগ্ধ সৌরভ মাদ্রাসায় নিয়োগে সাড়ে ১২ হাজার চাকরি প্রার্থীর আবেদন খারিজ, কী জানাল কোর্ট?

Copyright © 2024 HT Digital Streams Limited. All RightsReserved.