বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > মোদীর সফরে বাংলাদেশে হিংসা ছড়িয়ে ‘ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি’ দশা হেফাজতে ইসলামের
নরেন্দ্র মোদীর সফরকালে বাংলাদেশের রাজপথে ছড়ায় হিংসা। (AP)
নরেন্দ্র মোদীর সফরকালে বাংলাদেশের রাজপথে ছড়ায় হিংসা। (AP)

মোদীর সফরে বাংলাদেশে হিংসা ছড়িয়ে ‘ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি’ দশা হেফাজতে ইসলামের

  • এর পরই চরমপন্থী ইসলামি সংগঠন হেফাজতে ইসলামের একের পর এক নেতাকে গ্রেফতার করতে শুরু করে হাসিনা প্রশাসন। এর মধ্যে রমজান শুরু হলেও ধরপাকড়ে কোনও রাশ টানেনি বাংলাদেশ সরকার।

গত মার্চে মোদীর সফরের সময় হিংসা ছড়ানোয় দায় অস্বীকার করল বাংলাদেশের চরমপন্থী ইসলামি সংগঠন হেফাজতে ইসলাম। ওই সময় ঢাকা-সহ বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে যে সব হিংসাত্মক ঘটনা ঘটেছিল তাতে হেফাজতে ইসলামের কোনও ভূমিকা নেই বলে দাবি করেছেন সংগঠনের নেতা জুনায়েদ বাবুনগরী। সোমবার রাতে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে এক ভিডিয়ো বার্তায় জানিয়েছেন তিনি। 

গত ২৬ মার্চ বাংলাদেশ সফরে যান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই সময় মোদীর সফরের বিরোধিতায় চরমপন্থী ইসলামিক সংগঠনগুলির উসকানিতে ঢাকা-সহ বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক সহিংস বিক্ষোভ হয়। হিংসা রুখতে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয় অন্তত ৮ জনের। 

এর পরই চরমপন্থী ইসলামি সংগঠন হেফাজতে ইসলামের একের পর এক নেতাকে গ্রেফতার করতে শুরু করে হাসিনা প্রশাসন। এর মধ্যে রমজান শুরু হলেও ধরপাকড়ে কোনও রাশ টানেনি বাংলাদেশ সরকার। 

লাগাতার চাপের মুখে তাদের সমর্থকদের আপাতত কোনও হিংস্র আন্দোলন না করতে অনুরোধ করেছেন বাবুনগরী। জানিয়েছেন সরকারের সঙ্গে কোনও সংঘাতে যাবে না হেফাজত। সঙ্গে গ্রেফতার হওয়া হেফাজত নেতাদের মুক্তি দাবি করেছেন তিনি।

বাবুনগরীর দাবি, ‘২৬ মার্চ হেফাজতের কোনো কর্মসূচি ছিল না। আমাদের কোনো নির্দেশ ছিল না। আমি নিজে হাটহাজারি মাদ্রাসায় (হেফাজতের সদর দফতর) ছিলাম না, দূরে সফরে ছিলাম। এর আগে ঢাকার বায়তুল মোকাররমে (বাংলাদেশের প্রধান মসজিদ) কিছু কিছু অঘটন ঘটেছে। বায়তুল মোকাররম মসজিদের ভিতরে ক্যাডাররা মুসল্লিদেরকে মারধর করেছে। এর পরে হাটহাজারির ঘটনা ঘটেছে, তার জন্য আমরা দুঃখিত। আবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়ও এমন ঘটনা ঘটেছে।’

গত ২৬ ও ২৭ মার্চ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সফরে দুপক্ষের মধ্যে অন্তত ৫টি সমঝোতা সাক্ষরিত হয়। সফরকালে বন্ধু বাংলাদেশের যে কোনও বিপদে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন মোদী।

 

বন্ধ করুন