বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > করোনা টিকা বাঁচাল বাংলা-কেরালা, অপচয়ে শীর্ষে ঝাড়খণ্ড,নষ্ট গুজরাত-উত্তরপ্রদেশেও
করোনা টিকা বাঁচাল বাংলা-কেরালা, অপচয়ে শীর্ষে ঝাড়খণ্ড, নষ্ট গুজরাত-উত্তরপ্রদেশেও। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)
করোনা টিকা বাঁচাল বাংলা-কেরালা, অপচয়ে শীর্ষে ঝাড়খণ্ড, নষ্ট গুজরাত-উত্তরপ্রদেশেও। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্য পিটিআই)

করোনা টিকা বাঁচাল বাংলা-কেরালা, অপচয়ে শীর্ষে ঝাড়খণ্ড,নষ্ট গুজরাত-উত্তরপ্রদেশেও

ঝাড়খণ্ডে সর্বোচ্চ ৩৩.৯৯ শতাংশ টিকা নষ্ট হয়েছে।

ভ্যাকসিনের অভাবে দেশের বহু মানুষ এখনও টিকা নিতে পারেননি। সরবরাহের শ্লথ গতির কারণে টিকা কেন্দ্রগুলোর সামনে শয়ে শয়ে মানুষ অপেক্ষা করেও দিনের শেষে খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে। এই অবস্থায় এবার একাধিক রাজ্যে টিকা অপচয় হওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্যে।

সরকারি তথ্য অনুয়ায়ী জানা গিয়েছে, ছত্তিশগড়ে ১৫.৭৯ শতাংশ ভ্যাকসিন নষ্ট হয়েছে। মে মাসে কেরালা ও পশ্চিমবঙ্গে করোনার ভ্যাকসিন অপচয় হয়েছে, যথাক্রমে ১.১০ লক্ষ ও ১.৬১ লক্ষ। যা ভ্যাকসিন নষ্ট হওয়ার শতাংশের হিসাবে দাঁড়াচ্ছে কেরালায় নেগেটিভ ৬.৩৭ শতাংশ ও পশ্চিমবঙ্গে নেগেটিভ ৫.৪৮ শতাংশ টিকা নষ্ট হয়েছে। ঝাড়খণ্ডে সর্বোচ্চ ৩৩.৯৯ শতাংশ টিকা নষ্ট হয়েছে। তবে মধ্যপ্রদেশে ৭.৩৫ শতাংশ টিকা রয়েছে। অন্য দিকে, পঞ্জাব, দিল্লি, রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, গুজরাত ও মহারাষ্ট্রে যথাক্রমে ৭.০৮ শতাংশ, ৩.৯৫ শতাংশ, ৩.৯১ শতাংশ, ৩.৭৮ শতাংশ, ৩.৬৩ শতাংশ ও ৩.৫৯ শতাংশ টিকা অপচয় হয়েছে।

তথ্যে দেখা গিয়েছে যে, মে মাসে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে মোট ৮৭১.৩ লক্ষ টিকা সরবরাহ করা হয়েছিল যার মধ্যে ৬৫৮.৬ লক্ষ টিকা ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি ২১২.৭ লক্ষ টিকা বেঁচে গিয়েছিল।

সেক্ষেত্রে এপ্রিল মাসের তুলনায় মে মাসে টিকা কম ছিল। যেখানে মোট ৮৯৮.৭ লক্ষ টিকা দেওয়া হয়েছিল। ৯০২.২ লাখ টিকা ব্যবহার করা হয়েছে। বাকি ৮০.৮ লক্ষ টিকা বেঁচে গিয়েছিল। অন্য দিকে, ৭ জুন পর্যন্ত ৪৫ বছরের ঊর্ধ্বে দেশের ৩৮ শতাংশ জনসংখ্যার টিকাকরণ হয়ে গিয়েছিল। ত্রিপুরার ৯২ শতাংশ, রাজস্থান ও ছত্তিসগড় উভয়েই ৬৫ শতাংশ, গুজরাত ৫৩ শতাংশ কেরালা ৫১ শতাংশ ও দিল্লি ৪৯ শতাংশ টিকাকরণ হয়েছে।

বন্ধ করুন