বাংলা নিউজ > ময়দান > ইস্টবেঙ্গল কর্তা ও লগ্নীকারী সংস্থার মধ্যে চলছে চিঠি পাল্টা চিঠির খেলা
ইস্টবেঙ্গল ক্লাব তাঁবু (ছবি: গুগল)
ইস্টবেঙ্গল ক্লাব তাঁবু (ছবি: গুগল)

ইস্টবেঙ্গল কর্তা ও লগ্নীকারী সংস্থার মধ্যে চলছে চিঠি পাল্টা চিঠির খেলা

  • চিঠি, পাল্টা চিঠি দেওয়া-নেওয়ার খেলায় অসুবিধা বেড়েই চলেছে লাল হলুদে। শ্রী সিমেন্ট বলছে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব টার্মসিটে অসঙ্গতির কথা স্পষ্ট করে লিখে জানাচ্ছে না। আবার ইস্টবেঙ্গল কর্তা দেবব্রত সরকারের দাবি, টার্মসিটে অসঙ্গতির কথা চিঠি দিয়ে একাধিকবার জানিয়ে দিয়েছেন তাঁরা।

চিঠি, পাল্টা চিঠি দেওয়া-নেওয়ার খেলায় অসুবিধা বেড়েই চলেছে লাল হলুদে। শ্রী সিমেন্ট বলছে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব টার্মসিটে অসঙ্গতির কথা স্পষ্ট করে লিখে জানাচ্ছে না। আবার ইস্টবেঙ্গল কর্তা দেবব্রত সরকারের দাবি, টার্মসিটে অসঙ্গতির কথা চিঠি দিয়ে একাধিকবার জানিয়ে দিয়েছেন তাঁরা। 

এরমধ্যেই ইস্টবেঙ্গল ক্লাবকে চিঠি পাঠাল লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্ট। গত ২৫মে লগ্নিকারী সংস্থাকে চিঠির উত্তর দিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের সাবেকি কর্তারা। টার্মশিট আর মূল চুক্তিপত্রে কোথায় অসঙ্গতি তা জানতে চেয়ে ক্লাবকে চিঠি পাঠিয়েছিল বিনিয়োগকারী সংস্থা। লগ্নিকারী সংস্থাকে তার উত্তর দিলেও তাতে মোটেও সন্তুষ্ট হননি শ্রী সিমেন্টের ম্যানেজিং ডিরেক্টর হরিমোহন বাঙুর। শুক্রবার ইস্টবেঙ্গলকে ফের চিঠি পাঠিয়েছে শ্রী সিমেন্ট। 

এদিন লগ্নিকারী সংস্থার চিঠি হাতে পাওয়ার পরই আলোচনায় বসেন ক্লাবের কর্মকর্তারা। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের অন্যতম শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার জানান, ‘চুক্তিপত্রে সই করতে তো চাই আমরা। বলিনি তো যে সই করব না। শুধু এটাই বলেছি, চুক্তিপত্রটা ঠিক করুন। ওদের চিঠি পেয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করছি। তাদের পরামর্শ পাওয়ার পরই আমরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব। আমরা তো শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চাইছি। সামনাসামনি আলোচনা হোক। কোথায় সমস্যা হচ্ছে সেটার সমাধান হয়ে যাবে তা হলে।’

বিনিয়োগকারী সংস্থার তরফ থেকে এ প্রসঙ্গে জানানো হয়েছে, ‘আলোচনার কোনও জায়গা নেই। আমাদের অবস্থান একই জায়গায় আছে। নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার তো কিছু নেই। অষ্টম আইএসএলে খেলতে গেলে ফ্র্যাঞ্চাইজি ফি জমা দিতে হবে। গত ১৭মে তার শেষ দিন ছিল। কোভিড পরিস্থিতির জন্য তার সময়সীমা বাড়িয়েছে এফএসডিএল। ক্লাব যতদিন না চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করে আমাদের পাঠাচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত আমরা এফএসডিএলকে ফ্র্যাঞ্চাইজি ফি দিতে পারব না। কিসের ভিত্তিতে খরচ করব? তাই চিঠিতে আমরা কোনও সময়সীমা বেঁধে দিইনি।’

শ্রী সিমেন্টের কর্ণধার হরিমোহন বাঙুর আলোচনার রাস্তা খোলা রাখার জন‍্যই হয়তো ইস্টবেঙ্গল ক্লাবকে আর একবার দুই চুক্তির ফারাকের কথা উল্লেখ করে চিঠি পাঠাতে বলেছেন। এই চিঠির জবাবে ইস্টবেঙ্গল কর্তা  দেবব্রত সরকার জানিয়েছেন, তাঁরা সেই অক্টোবর থেকেই চুক্তিপত্রের অসঙ্গতির কথা জানিয়ে আসছেন একাধিক চিঠির মাধম‍্যে। যদি বুঝতে অসুবিধা হয় তাহলে আলোচনায় বসুন, সব পরিস্কার হয়ে যাবে। কার কথা সত‍্যি সেটাই বোঝা যাচ্ছে না। কারণ কোনও পক্ষই কোন চিঠি এখনও প্রকাশ‍্যে আনেনি।

বন্ধ করুন