বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > ইয়াসের ছোবল থেকে নন্দীগ্রামকে বাঁচাতে তৎপর শুভেন্দু
ইয়াসের ছোবল থেকে নন্দীগ্রামকে বাঁচাতে তৎপর শুভেন্দু (PTI)
ইয়াসের ছোবল থেকে নন্দীগ্রামকে বাঁচাতে তৎপর শুভেন্দু (PTI)

ইয়াসের ছোবল থেকে নন্দীগ্রামকে বাঁচাতে তৎপর শুভেন্দু

  • পূর্ব অভিজ্ঞতাকেই সম্বল করে এবার নন্দীগ্রামের মানুষের ঘর বাঁচাতে তৎপর হয়ে উঠেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

আমফান তছনছ করে দিয়েছিল গ্রামের পর গ্রাম। ধুলিসাৎ হয়ে গিয়েছিল কাচা বাড়ি, দোকানপাট, বিদ্যুতের খুঁটি। উপড়ে পড়েছিল শয়ে শয়ে গাছ। সেই অভিজ্ঞতাকেই সম্বল করে এবার নন্দীগ্রামের মানুষের ঘর বাঁচাতে তৎপর হয়ে উঠেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পুঁজি বলতে তাঁর ঝুলিতে রয়েছে শুধু পূর্ব অভিজ্ঞতা। কারণ, গতবছর যখন আম্ফান আছড়ে পড়েছিল, তখন তিনি শাসক দলের ক্ষমতায় ছিলেন। কিন্তু এখন পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। এখন শুধু দলীয় লোকবলের ওপরেই তাঁর মূলত ভরসা। অবশ্য রবিবার ইয়াস মোকাবিলায় তিনি কোমর বেঁধে মাঠে নেমে পড়লেন। 

এদিন ইযাস মোকাবিলার আগাম প্রস্তুতি হিসাবে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু। ভাঙাবেড়ার অতিথি নিবাসে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে ঘূর্ণিঝড় ইয়াস মোকাবিলার প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। কী ভাবে এই ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলা করা যায়, সেই নিয়ে আলোচনাও করেন শুভেন্দু্। এদিনের এই বৈঠকে নন্দীগ্রামের বহু সাধারণ মানুষও উপস্থিত হন। নদী তীরে অবস্থিত নন্দীগ্রামে গত বছরের তাণ্ডবে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছিল।

সেকারণে এদিন সাধারণ গ্রামবাসীদের কাছে তিনি অনুরোধ করেন, যাদের কাচা বাড়ি রয়েছে, তাঁরা যেন যত দ্রুত সম্ভব এমন প্রতিবেশী যাদের পাকা বাড়ি রয়েছে, সেখানে গিয়ে উঠেন। বা নিকটতম সাইক্লোন সেন্টারে যাতে আশ্রয় নেন তাঁরা, সেই দিকেও জোর দেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, ‘‌ আগের অভিজ্ঞতাকেই কাজে লাগিয়ে এই দুর্যোগ মোকাবিলা করতে হবে সবাইকে।’‌ শুধু ইয়াসের আগেই নয়, পরেও যা ক্ষয়ক্ষতি হবে, তা দ্রুত মেরামত করতে একত্রে এগিয়ে আসতে হবে বলেই তিনি পরামর্শ দেন।

প্রসঙ্গত, ইয়াস এখন দিঘা থেকে ৬৭০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। সোমবার নিম্নচাপটি ঘুর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হবে। বুধবার এই ঘুর্ণিঝড় প্রচণ্ড শক্তি সঞ্চয় করে পারাদ্বীপ ও সাগরের মধ্যবর্তী এলাকায় আছড়ে পড়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে, সেক্ষেত্রে বিপন্মুক্ত নয় পূর্ব মেদিনীপুর।

বন্ধ করুন