বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > District libraries: খরচে রাশ টানতে জেলার গ্রন্থাগারগুলিতে 'নিখরচা'র স্বেচ্ছাসেবক চায় নবান্ন

District libraries: খরচে রাশ টানতে জেলার গ্রন্থাগারগুলিতে 'নিখরচা'র স্বেচ্ছাসেবক চায় নবান্ন

রাজ্যের ২৪৮০টি গ্রন্থাগারের মধ্যে ১২০০টি বন্ধ হয়ে গিয়েছে কর্মীর অভাবে। (নিজস্ব চিত্র)

রাজ্যে ২৩ জেলার ৭৩৮টি গ্রন্থাগারে গ্রন্থাগারিক-পদে নিয়োগের সুবজ সংকেত দিয়েছিল অর্থ দফতর। কিন্তু তাও সে দু'বছর আগে। তার পর সে বিষয়ে আর কোনও অগ্রগতি হয়নি।

খরচে রাশ টানতে জেলার গ্রন্থাগারগুলিতে আর নতুন নিয়োগের পথে হাঁটতে চাইছে না রাজ্য। বদলে স্বেচ্ছাসেবক দিয়ে গ্রন্থাগারগুলি চালাতে চায় নবান্ন। এর আগে রাজ্যে ২৩ জেলার ৭৩৮টি গ্রন্থাগারে গ্রন্থাগারিক-পদে নিয়োগের সুবজ সংকেত দিয়েছিল অর্থ দফতর। কিন্তু তাও সে দু'বছর আগে। তার পর সে বিষয়ে আর কোনও অগ্রগতি হয়নি। এমন কী যাঁরা দু'বছর আগে অবসর নিয়েছিলেন তাঁদের পুর্ননিয়োগের পরিকল্পনা করে রাজ্য। কিন্তু সে ক্ষেত্রে তাঁদের মাসিক হারে কিছু টাকা দিতে হবে। তার সে পথে আর এগোয়নি নবান্ন। এবার গ্রন্থাগারগুলি সচল রাখতে স্বেচ্ছাসেব সেবক নিয়োগের রাস্তা হাঁটতে চাইছে রাজ্য সরকার।

ইতিমধ্যেই নবান্ন থেকে এক পরামর্শ হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, 'জেলার গ্রন্থাগারগুলি সচল রাখতে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করুন।' যারা বিনা পারিশ্রমিকে লাইব্রেরি দৈনন্দিন কাজ সামলাবেন।

বিরোধীদের কটাক্ষ

বিরোধীরা রাজ্যের এই সিদ্ধান্তকে কটাক্ষ করেছে। খেলা-মেলা-উৎসব-খয়ারতিতে টাকা থাকলেও গ্রন্থাগারগুলিকে সচল রাখতে নতুন নিয়োগের জন্য রাজ্য সরকারের কাছে টাকা নেই। যদিও উৎসবের ক্ষেত্রেও খরচে রাশ টানছে শুরু করেছে রাজ্য সরকার। সম্প্রতি বিবেক উৎসবে করার জন্য ব্লকস্তরে প্রদেয় অর্থের পরিমাণ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে গ্রন্থাগার পরিচালনার খরচে কাটছাঁট মানতে পারছেন না অনেকেই। জনসাধারণের গ্রন্থাগার ও কর্মী কল্যাণ সমিতির প্রধান উপদেষ্টা মনোজ চক্রবর্তী আনন্দবাজারকে বলেন,'বই, সংবাদপত্র, পত্রপত্রিকা পড়ে সাধারণ মানুষ সচেতন হয়ে উঠুক তা রাজ্য সরকার চায় না। তাতে অনেক অন্ধকার দিকই সামনে চলে আসবে। বরং খেলা-মেলা-উৎসবে মানুষকে ভুলিয়ে রাখা অনেক সহজ কাজ।'

নবান্নের দাবি, সিদ্ধান্ত সাময়িক

যদিও নির্দেশিকা নিয়ে নবান্নের দাবি, গ্রন্থাগারে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের পরামর্শ সাময়িক বিষয়। স্থায়ী পদে নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নিয়োগের জন্য দু'বছর আগে অর্থ দফতরের অনুমোদন পেলেও সেই সংক্রান্ত সার্চ কমিটি এখনও গঠন করে উঠতে পারেনি রাজ্য সরকার। ফলে নিয়োগের প্রক্রিয়া আটকেই রয়ে গিয়েছে।

গ্রন্থাগার দফতর সূত্রে খবর, রাজ্যে গ্রন্থাগারগুলিতে শূন্য পদের সংখ্যা প্রায় চার হাজার। ২৪৮০টি গ্রন্থাগারের মধ্যে ১২০০টি বন্ধ হয়ে গিয়েছে কর্মীর অভাবে। অথচ প্রতিবছর লাইব্রেরিয়ানশিপ পাশ করেছে প্রচুর ছাত্রছাত্রী। তাঁদের কাছে কার্যত বন্ধ সরকারি চাকরি দরজা।

এই খবরটি আপনি পড়তে পারেন HT App থেকেও। এবার HT App বাংলায়। HT App ডাউনলোড করার লিঙ্ক https://htipad.onelink.me/277p/p7me4aup

বন্ধ করুন