বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > ‘ব্যক্তিগত কারণ’,কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা ছাড়তে চেয়ে চিঠি বাঁকুড়ার দুই BJP বিধায়কের
বিজেপি সদর দফতর
বিজেপি সদর দফতর

‘ব্যক্তিগত কারণ’,কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা ছাড়তে চেয়ে চিঠি বাঁকুড়ার দুই BJP বিধায়কের

  • জল্পনা বাড়িয়ে বাঁকুড়ার দুই বিজেপি বিধায়ক কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা ছাড়ার জন্য আবেদন জানালেন।

বিজেপির অন্তর্দ্বন্দ্ব ক্রমেই অস্বস্তি বাড়াচ্ছে সুকান্ত মজুমদারদের। নতুন রাজ্য কমিটি ঘোষণার পর থেকেই ‘বিদ্রোহে’র সুর ধাপে ধাপে পৌঁছেছে দিল্লিতেও। তবে উত্তরপ্রদেশ সহ পাঁচ রাজ্যের নির্বাচনের আবহে বাংলার দিকে নজর দিতে পারছেন না জেপি নড্ডা, অমিত শাহরা। এই পরিস্থিতিতে এবার দলের অস্বস্তি বাড়িয়ে বাঁকুড়ার দুই বিজেপি বিধায়ক কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা ছাড়ার জন্য আবেদন জানালেন। জানা গিয়েছে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা ছাড়তে চাওয়া দুই বিজেপি নেতা হলেন ওন্দার বিধায়ক অমরনাথ শাখা ও ইন্দাসের বিধায়ক নির্মল কুমার ধাড়া। সংশ্লিষ্ট দফতরকে ইতিমধ্যেই নিজেদের ইচ্ছের কথা জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন এই দুই বিধায়ক।

উল্লেখ্য, নির্বাচনের পর থেকেই যেই যেই বিজেপি বিধায়করা কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা ছাড়ার কথা জানিয়েছেন, তাঁদেরকে নিয়ে দলবদলের জল্পনা শুরু হয়েছে। বর্তমানে বাঁকুড়া জেলায় বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা ৭। ২০২১ সালের নির্বাচনে এই জেলার ১২টি আসনের মধ্যে আটটিতেই জিতেছিল বিজেপি। বিজেপির সব বিধায়ককেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রদান করা হয়েছিল। পরে অবশ্য বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তন্ময় ঘোষ তৃণমূলে যোগ দেন। বাকুঁড়ার বাকি সাত বিধায়কের কাছে এখনও কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা রয়েছে। এর নেপথ্যে দল বদলের ইঙ্গিত রয়েছে কিনা, তা নিয়ে এখনও রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে।

এই প্রসঙ্গে জল্পনা উস্কে ওন্দার বিধায়ক অমরনাথ শাখা দাবি করেন, ব্যক্তিগত অসুবিধার কারণে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা ছাড়তে চান তিনি। তাঁর আরও দাবি, প্রথম থেকেই তিনি কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা নিতে চাইছিলেন না। এদিকে সম্প্রতি বাঁকুড়া জেলায় বিজেপির দুই সাংগঠনিক জেলা বাঁকুড়া ও বিষ্ণুপুরের নতুন সভাপতি নিয়োগের পর থেকেই বিধায়করা নিজেদের অস্নতোষের কথা প্রকাশ করেছেন। বাঁকুড়ার সভাপতি সুনীল রুদ্র মণ্ডল এবং বিষ্ণুপুরের সভাপতি বিল্বেশ্বর সিংহকে বদলের দাবি তোলেন বিধায়করা। বাঁকুড়ার চার বিধায়ক কয়েকদিন আগে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়েছিলেন। সম্প্রতি আবার তাঁরা দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাকে চিঠি দিয়ে দেলা সভাপতি বদলের দাবি তোলেন। এই পরিস্থিতিতে নিজেদের অসন্তোষ প্রকাশ করতেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা ছাড়ার বার্তা, নাকি এর নেপথ্যে দলবদলের ইঙ্গিত রয়েছে, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে।

বন্ধ করুন