বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > বাথরুমের জানালা ভেঙে সংশোধনাগারের পাঁচিলে চড়ে বসল তিন বন্দি, এরপর পগার পার
উপসংশোধনাগার থেকে চম্পট দিল তিনজন আসামী। (ছবিটি প্রতীকী,.সৌজন্য সংগৃহীত)
উপসংশোধনাগার থেকে চম্পট দিল তিনজন আসামী। (ছবিটি প্রতীকী,.সৌজন্য সংগৃহীত)

বাথরুমের জানালা ভেঙে সংশোধনাগারের পাঁচিলে চড়ে বসল তিন বন্দি, এরপর পগার পার

  • জেল সূত্রে খবর, কিছুদিন আগেই ওই আসামীদের গ্রেফতার করা হয়েছিল। বসিরহাট উপসংশোধনাগারে তাদের রাখা হয়েছিল। 

একেবারে জোর শোরগোল। উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট উপসংশোধনাগার থেকে পালাল ৩ বন্দি। সকালে যথারীতি আসামীদের গুনছিলেন জেলকর্মীরা। সেই সময় তাঁদের নজরে আসে তিনজন আসামীর খোঁজ মিলছে না। এরপরই বোঝা যায় তিনজন বিচারাধীন বন্দি চম্পট দিয়েছে। এরপর জেল কর্তৃপক্ষ বুঝতে পারে বাথরুমের জানালা ভাঙা অবস্থায় রয়েছে। অর্থ্যাৎ বাথরুমের জানালা ভেঙেই পালিয়েছে দুষ্কৃতীরা। তারপরই শুরু হয় খোঁজ খোঁজ। এখানেই প্রশ্ন উঠছে সংশোধনাগারের কড়া নিরাপত্তাবেষ্টনী ভেঙে কীভাবে পালিয়ে গেল বিচারাধীন বন্দিরা? 

পুলিশ ও জেল সূত্রে খবর, তিনজন বিচারাধীন বন্দি চম্পট দিয়েছে সংশোধনাগার থেকে। প্রথমে শৌচাগারের জানালা ভেঙে ও তারপর পাঁচিল টপকে তারা চম্পট দেয়। জেল সূত্রে খবর, কিছুদিন আগেই ওই আসামীদের গ্রেফতার করা হয়েছিল। পলাতক আসামীদের মধ্যে সাদ্দাম মোল্লা ও মীর আরিফুলকে আগ্নেয়াস্ত্র ও বিস্ফোরক রাখার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল। হাড়োয়া থানার হাতে গ্রেফতার হয়েছিল তারা। অন্যদিকে বাদুড়িয়া থানা গ্রেফতার করেছিল বাপী সেখকে। তবে পুলিশের অনুমান আগে থেকে পরিকল্পনা করেই তারা জেল থেকে পালায়। এদিকে গোটা ঘটনায় ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু হয়েছে। নজরদারির কোথাও কোনও খামতি ছিল কি না তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে। জেল সূত্রে খবর ভোরের দিকে একেবারে ছক কষে পালিয়েছে বন্দিরা। তাদের খোঁজে ব্য়াপক তল্লাশি চলছে। 

বন্ধ করুন