বাংলা নিউজ > ভোটযুদ্ধ ২০২১ > সরকারি কর্মীদের নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিযুক্ত করা যাবে না- সুপ্রিম কোর্ট
সুপ্রিম কোর্ট। (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই)
সুপ্রিম কোর্ট। (ফাইল ছবি, সৌজন্য পিটিআই)

সরকারি কর্মীদের নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিযুক্ত করা যাবে না- সুপ্রিম কোর্ট

  • সংবিধানের ১৪২ ও ১৪৪ ধারা সুপ্রিম কোর্টকে যে ক্ষমতা দেয়, সেটা ব্যবহার করেই এই রায় দিয়েছেন বিচারক রোহিংটন নরিমান ও বিআর গাভাই। ১৪২ ধারা সুপ্রিম কোর্টকে অধিকার দেয় 'সম্পূর্ণ ন্যায় বিচারের' জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার। ১৪৪ ধারা অনুযায়ী সেই নির্দেশ মানতে বাধ্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসন।

সরকারি কর্মচারীদের নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিযুক্ত করা যাবে না, বলে রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনারদের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা যাবে বলে মনে করছে শীর্ষ আদালত। সেই কারণে কোর্ট বলেছে যে কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারি কর্মীদের দেশের কোনও স্থানেই নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিযুক্ত করা চলবে না। 

সংবিধানের ১৪২ ও ১৪৪ ধারা সুপ্রিম কোর্টকে যে ক্ষমতা দেয়, সেটা ব্যবহার করেই এই রায় দিয়েছেন বিচারক রোহিংটন নরিমান ও বিআর গাভাই। ১৪২ ধারা সুপ্রিম কোর্টকে অধিকার দেয় 'সম্পূর্ণ  ন্যায় বিচারের' জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার। ১৪৪ ধারা অনুযায়ী সেই নির্দেশ মানতে বাধ্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। 

ডিভিশন বেঞ্চ এদিন বলে যে কোনও ভাবে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে আপোশ করা সম্ভব নয় গণতন্ত্র। কোনও সরকারি কর্মীকে রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হল সংবিধানের অপমান। ইলেকশন কমিশনারদের একেবারে স্বাধীন হতে হবে ও যে কেউ লাভজনক পদে আসীন আছে বা সরকারি কর্মী ছিলেন, তাদের নিযুক্ত করা যাবে না। 

প্রসঙ্গত, গোয়া সরকার পুরভোটের জন্য তাদের আইন সচিবকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের। এই সিদ্ধান্তের জন্য গোয়া সরকারকে তীব্র ভর্ৎসনা করে সুপ্রিম কোর্ট। ভবিষ্যতে এরকম যেন কেন্দ্র বা কোনও রাজ্য সরকার না করে, সেটাও সাফ করে দেওয়া হয়েছে। 

প্রসঙ্গত, পাঁচটি পুরসভায় নিয়ম মেনে ভোট না হওয়ার অভিযোগে নির্বাচন বাতিল করে দেয় গোয়া হাইকোর্ট। তার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল রাজ্য সরকার। কিন্তু কোনও লাভ হল না। 

বন্ধ করুন