বাংলা নিউজ > ভোটযুদ্ধ ২০২১ > পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন 2021 > ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা নির্বাচনে অংশ নেবে না, মমতাকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত হেমন্তর
হেমন্ত সোরেন : জনাদেশের জন্য ঝাড়খণ্ডের মানুষের কাছে ধন্য। আমাকে সমর্থন ও বিশ্বাস করার জন্য লালুজি, সোনিয়াজি, রাহুলজি, প্রিয়ঙ্কাজি ও সব কংগ্রেস নেতাকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আজ রাজ্যের নতুন অধ্যায় শুরু হবে। আমি আশ্বস্ত করতে চাই, ধর্ম-বর্ণ-পেশা-জাতির ভিত্তিতে কারোর আশাভঙ্গ করা হবে না।(ছবি সৌজন্য পিটিআই)
হেমন্ত সোরেন : জনাদেশের জন্য ঝাড়খণ্ডের মানুষের কাছে ধন্য। আমাকে সমর্থন ও বিশ্বাস করার জন্য লালুজি, সোনিয়াজি, রাহুলজি, প্রিয়ঙ্কাজি ও সব কংগ্রেস নেতাকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আজ রাজ্যের নতুন অধ্যায় শুরু হবে। আমি আশ্বস্ত করতে চাই, ধর্ম-বর্ণ-পেশা-জাতির ভিত্তিতে কারোর আশাভঙ্গ করা হবে না।(ছবি সৌজন্য পিটিআই)

ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা নির্বাচনে অংশ নেবে না, মমতাকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত হেমন্তর

পশ্চিমবঙ্গে তাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সমর্থন করবেন বলে শুক্রবার জানিয়ে দিয়েছেন।

হাসপাতালে শুয়েই পেলেন খুশির খবর। এবার বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী দিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা। পশ্চিমবঙ্গে তাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সমর্থন করবেন বলে শুক্রবার জানিয়ে দিয়েছেন। প্রতিবেশী রাজ্যে তাঁরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না। বরং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সমর্থন করবেন সাম্প্রদায়িক শক্তিকে পরাজিত করতে বলে জানিয়ে দিয়েছেন দলের কার্যকরী সভাপতি। আর এই খবর আসতেই তৃণমূল কংগ্রেস বাড়তি অক্সিজেন পেল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক কুশীলবরা।

কিছুদিন আগে হেমন্ত সোরেনের দল ঘোষণা করেছিল দু’‌ডজন আসনে তাঁরা পশ্চিমবঙ্গে প্রার্থী দেবে। বিশেষ করে আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় প্রার্থী দেওয়ার কথা ছিল তাদের। তারপর অবশ্য কোনও প্রার্থীই তারা ঘোষণা করেনি। এবার এক বেসরকারি সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন বলেন, ‘‌দল সিদ্ধান্ত নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন থেকে নিজেদের বিরত রাখবে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। তারপরই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে দল। কারণ তিনি আমাদের সমর্থন চেয়েছিলেন।’‌

ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন আরও বলেন, ‘‌কিছুদিন আগে তিনি আমাকে চিঠি লিখেছিলেন। আর আমাদের মধ্যে টেলিফোনে কথাও হয়েছিল। তখন তিনি আমাদের সমর্থন করার কথা বলেছিলেন। তারপর আমাদের দলের সভাপতি সিদ্ধান্ত নেন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করে সাম্প্রদায়িক শক্তিকে পরাস্ত করতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সমর্থন করা হবে।’‌ সুতরাং আদিবাসী ভোট পুরোটাই তৃণমূল কংগ্রেসে এসে পড়বে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক কুশীলবরা।

বন্ধ করুন