বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > কেন্দ্রের ঘোষণার পর পার হল ১০ মাস, নারায়ণ দেবনাথের হাতে উঠল না পদ্মশ্রী!
নারায়ণ দেবনাথ। (ছবি সৌজন্যে - ফেসবুক)
নারায়ণ দেবনাথ। (ছবি সৌজন্যে - ফেসবুক)

কেন্দ্রের ঘোষণার পর পার হল ১০ মাস, নারায়ণ দেবনাথের হাতে উঠল না পদ্মশ্রী!

  • ঘোষণার পর পেরিয়ে গিয়েছে ১০ মাস। আজও কিংবদন্তি কার্টুনিস্ট নারায়ণ দেবনাথ-এর বাড়ির চৌকাঠ পেরোয়নি পদ্মশ্রী খেতাব।

গত ৬০ বছর ধরে বাঙালির রঙিন ছোটবেলার অনেকটাই জুড়ে রয়েছেন কিংবদন্তি কার্টুনিস্ট নারায়ণ দেবনাথ। তাঁর সৃষ্ট বিখ্যাত সব কার্টুন চরিত্র হাঁদা ভোঁদা, নন্টে ফন্টে কিংবা বাঁটুল দ্য গ্রেট পেয়েছে তাঁরই মতো কিংবদন্তির আখ্যা। এছাড়াও রয়েছে 'ডানপিটে খাঁদু আর তার কেমিক্যাল দাদু', 'পটলা দ্য ম্যাজেশিয়ান', 'শুঁটকি আর মুটকি' এর মতো কত সব তাঁর তৈরি কার্টুন চরিত্র। আদতে এই কার্টুনগুলো মানেই তো তিনি। এই শিল্পীকে গত জানুয়ারিতেই কেন্দ্রীয় সরকার তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মান দিয়েছে। কথা ছিল তাঁকে দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হবে। তা অবশ্য করা হয়নি কেন্দ্রের তরফে। ঘোষণার পর পেরিয়ে গিয়েছে ১০ মাস। আজও হাওড়ার শিবপুরে শিল্পীর বাড়ির চৌকাঠ পেরোয়নি পদ্মশ্রী খেতাব। বর্ষীয়ান শিল্পীর হাতে কবে উঠবে এই খেতাব? জবাব নেই শিল্পীর পরিবারের কাছেও!

হাঁদা-ভোঁদা কমিক্স স্ট্রিপ। (ছবি সৌজন্যে - ফেসবুক)
হাঁদা-ভোঁদা কমিক্স স্ট্রিপ। (ছবি সৌজন্যে - ফেসবুক)

২০২১-এর পদ্মসম্মান প্রাপক রাজ্যের সাতজনের মধ্যে পদ্মশ্রী প্রাপকদের মধ্যে ছিলেন নারায়ণ দেবনাথ। ৯৮ বছর বয়সী এই শিল্পী বর্তমানে বয়সজনিত সমস্যায় শয্যাশায়ী। বাঁটুল, নন্টে-ফন্টের নতুন দুষ্টমি বন্ধ হয়েছে অনেকদিন। শিল্পীর অসুস্থততার কথা জানতে পেরে কেন্দ্রের তরফে বলা হয়েছিল নারায়ণবাবুর পরিবারের তরফে অন্তত দু'জন সদস্যকে আস্তে হবে দিল্লিতে এই খেতাব গ্রহণের জন্য .ঠিক হয়েছিল শিল্পী-পুত্র তাপস দেবনাথের ছোট মেয়ে অ্যালিসিয়া ও নারায়ণবাবুর মেয়ের ছেলে স্বর্ণাভর। শিল্পী-পুত্র জানান, কেন্দ্রের তরফে জানানো হয় দিল্লি যাওয়ার দরকার নেই। বাড়িতেই পৌঁছে দেওয়া হবে অভিজ্ঞানপত্র। সেদিন থেকে আজ পর্যন্ত আর কোনও যোগাযোগ করা হয়নি।

বাঁটুল দ্য গ্রেট কমিক্স স্ট্রিপ। (ছবি সৌজন্যে - ফেসবুক)
বাঁটুল দ্য গ্রেট কমিক্স স্ট্রিপ। (ছবি সৌজন্যে - ফেসবুক)

তাপসবাবু বলেন, 'কার সঙ্গে এই ব্যাপারে যোগাযোগ করব জানি না। গোটা বিষয়টাই অন্ধকারে রয়েছি। আমাদের পরিবারের একান্ত আর্জি বাবার জীবিতকালে তাঁর হাতে এই সম্মান পৌঁছে দিক কেন্দ্র'।

বন্ধ করুন