বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > বিগ বি-র ফ্যান ছিলেন আফগান রাষ্ট্রপতি,‘খুদা গাওয়া’র শ্যুটিংয়ে ঘটেছিল অবাক কাণ্ড!
আফগানিস্তানে খুদ গাওয়া-র শ্যুটিং সেরেছিলেন অমিতাভ 

বিগ বি-র ফ্যান ছিলেন আফগান রাষ্ট্রপতি,‘খুদা গাওয়া’র শ্যুটিংয়ে ঘটেছিল অবাক কাণ্ড!

  • অশান্ত আফগানিস্তানে ‘খুদা গাওয়া’র শ্যুটিং সেরেছিলেন, সেই স্মৃতি আজও ভুলতে পারেননি অমিতাভ বচ্চন। 

তালিবানদের দখলে আফগানিস্তান, গোটা বিশ্বজুড়ে এক দমবন্ধকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে। আফগান মেয়েদের সুরক্ষা ও স্বাধীনতা নিয়ে চিন্তা প্রকাশ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটিশ যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়াসহ প্রথম বিশ্বের ২০টি দেশ। দমবন্ধ করা এই পরিস্থিতিতে আফগানিস্তান থেকে ভাইরাল হওয়া একের পর এক মর্মান্তিক ছবি, ভিডিয়ো দেখে শিউরে উঠছে বিশ্ববাসী। ভারত-আফগানিস্তানের কুটনৈতিক সম্পর্ক বরাবরই মজবুত, সাংস্কৃতিক সম্পর্কের গাঁটও খুব জোরালো। 

ধর্মাত্মা থেকে কাবুল এক্সপ্রেস- একগুচ্ছ বলিউড ছবির শ্যুটিং হয়েছে আফগানিস্তানে। তালিকায় অন্যতম ‘খুদা গাওয়া’ (Khuda Gawah)। অমিতাভ বচ্চনের এই ছবির শ্যুটিং হয়েছিল অশান্ত আফগানিস্তানে। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে অমিতাভ বচ্চনের একটি পুরোনো ফেসবুক পোস্ট, যেখানে আফগানিস্তানে ‘খুদা গাওয়া’র শ্যুটিং অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন বিগ বি। 

১৯৯২ সালে যখন অমিতাভ-শ্রীদেবীর এই ছবির শ্যুটিং হয়, সেই সময় আফগানিস্তানের রাষ্ট্রপতি ছিলেন নাজিবুল্লাহ আহমেদজাই, তিনি বিগ বি-র বিরাট ভক্ত। জানা যায়, সে দেশে শ্যুটিং করার সময়ে শাহেনশাহর যাতে কোনও রকম অসুবিধে না হয়, তা নিশ্চিত করতে দেশের এয়ার ফোর্সের অর্ধেক সেনা বিগ বি-র সুরক্ষায় মোতায়েন করেছিলেন তিনি। এই ছবির 'বুজকাশি' (ঘোড়ায় চড়ে এক খেলা)-র দৃশ্য শ্যুটিং করা হয়েছিল আফগানিস্তানের মাজার-এ-শরিফে, যা এখন তালিবানের কবলে।

অমিতাভ ২০১৩ সালের ফেসবুক পোস্টে লিখেছিলেন, ‘সোভিয়েত সবে দেশ ছেড়ে গেছে এবং ক্ষমতা হস্তান্তর করা হয়েছে নাজিবুল্লাহ আহমেদজাইর হাতে। উনি হিন্দি ছবির ভক্ত ছিলেন। আমার সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন। মাজার-এ-শরিফে আমাদের সবাইকে রাষ্ট্রের তরফে ভিভিআইপি সম্মান দেওয়া হয়েছিল। ভীষণ সুন্দর সেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত ঘুরিয়ে দেখানো হয়েছিল প্লেনে করে। সঙ্গী ছিলেন আর্মড এসকর্টরা। আমাদের হোটেলেও থাকতে দেওয়া হয়নি। একটি পরিবার তাঁদের বাড়ি আমাদের জন্যে ছেড়ে দিয়েছিলেন। তাঁরা নিজেরে অন্য ছোট জায়গায় থেকেছিলেন।’ 

দীর্ঘ পোস্টের শেষে অমিতাভ এও লিখেছিলেন, ‘সেখানে আমাদের নানা রকম উপহারে ভরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। আমাদের দেশে ফেরার আগের দিন রাতে নাজাব আমাদের আমন্ত্রণ জানান রাষ্ট্রপতি ভবনে। আমাদের প্রত্যেককে উনি অর্ডার অফ আফগানিস্তান সম্মানে ভূষিত করেছিলেন। ওঁনার এক কাকা আমাদের জন্য ভারতীয় রাগ সংগীত পেশ করেন… মাঝে মধ্যে মনে হয়, ওঁরা সবাই আজ কোথায় আছেন। খুব জানতে ইচ্ছে করে’

বন্ধ করুন