বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > Sharad Yadav passes away: প্রয়াত প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শরদ যাদব, মেয়ে বললেন 'বাবা আর নেই'

Sharad Yadav passes away: প্রয়াত প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শরদ যাদব, মেয়ে বললেন 'বাবা আর নেই'

শরদ যাদব। (ফাইল ছবি)

Sharad Yadav passes away: প্রয়াত হলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শরদ যাদব। সত্তরের দশকে জয়প্রকাশ নারায়ণের নেতৃত্বে যে আন্দোলনের সাক্ষী ছিল ভারত, সেই আন্দোলনের হাত ধরেই উঠে এসেছিলে শরদ।

সত্তরের দশকে জয়প্রকাশ নারায়ণের নেতৃত্বাধীন আন্দোলনের 'ফসল', সাতবারের সাংসদ, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী - প্রয়াত হলেন সেই শরদ যাদব। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৫। 

'হিন্দুস্তান টাইমস' গ্রুপের 'লাইভ হিন্দুস্তান'-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি শরদের শারীরিক অবস্থা তেমন ছিল না। সেজন্য তাঁকে গুরুগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সেখানেই শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই খবর নিশ্চিত করেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর মেয়ে সুভাষিণী শরদ যাদব। তিনি বলেন, 'বাবা আর নেই।'

ওই বেসরকারি হাসপাতালের তরফে একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'সংজ্ঞাহীন অবস্থায় গুরুগ্রামের ফর্টিস মেমোরিয়াল রিসার্চ ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে শ্রী শরদ যাদবকে আনা হয়েছিল। পরীক্ষায় তাঁর নাড়ির স্পন্দন বা রক্তচাপ ধরা পড়েনি। নিয়ম মোতাবেক তাঁকে সিপিআর দেওয়া হয়। সবরকমের চেষ্টা সত্ত্বেও তাঁকে বাঁচানো যায়নি। রাত ১০ টা ১৯ মিনিটে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি আমরা।'

রাজনীতিতে শরদ যাদবের উত্থান 

সত্তরের দশকে জয়প্রকাশ নারায়ণের নেতৃত্বে যে আন্দোলনের সাক্ষী ছিল ভারত, সেই আন্দোলনের হাত ধরেই উঠে এসেছিলে শরদ। ১৯৭৪ সালে মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুর থেকে লোকসভা নির্বাচনে জিতেছিলেন। সেইসময় তাঁর বয়স ছিল মাত্র ২৭। 

তারপর ১৯৯৯ সাল থেকে ২০০৪ সালের মধ্যে অটলবিহারী বাজপেয়ীর সরকারে একাধিক মন্ত্রক সামলেছিলেন। কিন্তু ২০০৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে হেরে গিয়েছিলেন। সেইসময় রাজ্যসভা থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০০৯ সালে বিহারের মাধেপুরা থেকে ফের জিতেছিলেন শরদ। যিনি নিজেই বলতেন যে মণ্ডল কমিশন, বর্ণভিত্তিক জনগণনা এবং মহিলা সংরক্ষণ বিলের জন্য চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

জেডিইউ গঠন

১৯৯৭ সালে জনতা দল থেকে বেরিয়ে গিয়ে নয়া দল জনতা দল (ইউনাইটেড) গঠন করেছিলেন। যে দলে যোগ দেন বিহারের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। ২০০৩ সালে জেডিইউয়ের সভাপতিও নির্বাচিত হয়েছিলেন শরদ। পরবর্তীতে অবশ্য নীতীশের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের পর দু'জনের সম্পর্কে শৈত্য নেমে এসেছিল।

তারইমধ্যে যখন ২০১৭ সালে 'মহাগঠবন্ধন' ভেঙে বিজেপির সঙ্গে সরকার গঠন করেছিলেন নীতীশ, তখন সেই পথে হাঁটতে রাজি হননি প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা জেডিইউয়ের প্রাক্তন সভাপতি। সেইসময় দলবিরোধী কার্যকলাপের জন্য শরদকে রাজ্যসভা থেকে বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছিলেন নীতীশ। ২০১৮ সালে জেডিইউয়ের সঙ্গে সম্পর্কের পাট চুকিয়ে লোকতান্ত্রিক জনতা দল তৈরি করেছিলেন শরদ। তবে শারীরিক কারণে সম্প্রতি শরদকে সেভাবে সক্রিয় রাজনীতিতে দেখা যাচ্ছিল না।

(এই খবরটি আপনি পড়তে পারেন HT App থেকেও। এবার HT App বাংলায়। HT App ডাউনলোড করার লিঙ্ক https://htipad.onelink.me/277p/p7me4aup )

বন্ধ করুন