বাড়ি > ঘরে বাইরে > মহারাষ্ট্র থেকে হানা দেওয়া ‘মানুষ মারা’ বাঘের ঠাঁই হল ভোপালের অভয়ারণ্যে
২০১৮ সালের অক্টোবর মাসে অমরাবতী জেলায় দুই ব্যক্তিকে হত্যা করার পরে ডিসেম্বর মাসে বাঘটি মধ্য প্রদেশের বেতুলে প্রবেশ করে।
২০১৮ সালের অক্টোবর মাসে অমরাবতী জেলায় দুই ব্যক্তিকে হত্যা করার পরে ডিসেম্বর মাসে বাঘটি মধ্য প্রদেশের বেতুলে প্রবেশ করে।

মহারাষ্ট্র থেকে হানা দেওয়া ‘মানুষ মারা’ বাঘের ঠাঁই হল ভোপালের অভয়ারণ্যে

  • বাঘটি ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসে অমরাবতী জেলায় দুই ব্যক্তিকে হত্যা করেছিল।

মহারাষ্ট্র থেকে মধ্য প্রদেশের লোকালয়ে হানা দিয়ে ধরা পড়েছিল মানুষমারা বাঘ। শেষ পর্যন্ত তার ঠাঁই হল ভোপালের বন বিহার অভয়ারণ্যে। বাকি জীবন তাকে সেখানেই কাটাতে হবে।

বন কর্তারা জানিয়েছেন, মহারাষ্ট্রের অমরাবতী জেলার চন্দ্রপুরা জঙ্গল সংলগ্ন লোকালয়ে একাধিক বার হানা দিয়ে দুই জনকে হত্যা করে বছর পাঁচেকের পুরুষ বাঘটি। এর পরে মহারাষ্ট্র ছেড়ে সে এসে পৌঁছয় মধ্যপ্রদেশের বেতুলের জঙ্গলে। 

শনিবার ভোপালের বন বিহার অভয়ারণ্যের অধিকর্তা কমলিকা মোহন্ত এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ‘কানহা ব্যাঘ্র প্রকল্পের ঘোরেলা এনক্লোজারে রাখা পুরুষ বাঘটিকে শনিবার ভোপালের বন বিহার অভয়ারণ্যে আনা হয়েছে। মহারাষ্ট্রের মুখ্য বনপাল জানিয়েছেন, বাঘটি ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসে অমরাবতী জেলায় দুই ব্যক্তিকে হত্যা করেছিল। পরে ওই বছরের ডিসেম্বর মাসে বাঘটি মধ্য প্রদেশের বেতুলে প্রবেশ করে। সেখানে ১১ ডিসেম্বর সারনি শহরের লোকালয় থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।’

কানহা ব্যাঘ্ৎ প্রকল্পের অধিকর্তা এল কৃষ্ণমূর্তি জানিয়েছেন, ২০১৯ সালে বাঘটিতে সাতপুরা ব্যাঘ্র প্রকল্পের জঙ্গলে ছাড়া হলেও পরে সে ফের লোকালয়ে হানা দেয়। সেই কারণে তাকে এনে রাখা হয় কানহার ঘোরেলা এনক্লোজারে।

 তিনি জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ অনুমতি দিলে বাঘটিকে চিড়িয়াখানা প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হবে। সারনি শহর থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল বলে কর্তৃপক্ষ বাঘের নাম রেখেছেন ‘সারন’।

বন্ধ করুন