বাংলা নিউজ > ময়দান > ইতিহাস রচনা করে ইউরোপা লিগ ফাইনালের পথে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড
একই চিত্রে উচ্ছ্বাস ও হতাশা। ছবি- রয়টার্স (REUTERS) (REUTERS)
একই চিত্রে উচ্ছ্বাস ও হতাশা। ছবি- রয়টার্স (REUTERS) (REUTERS)

ইতিহাস রচনা করে ইউরোপা লিগ ফাইনালের পথে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড

  • চোটের কারণে প্রথমার্ধেই রোমা কোচ পাওলো ফনসেকাকে গোলকিপার পাও লোপেসসহ মোট তিনটি পরিবর্তন করতে হয়। কঠিন পরিস্থিতিতে আহত রোমা প্রথমার্ধের শেষে ২-১ এগিয়েই ছিল।

প্রথমার্ধ আর দ্বিতীয়ার্ধ যেন সম্পূর্ণ ভিন্ন দুই ম্যাচ। ইউরোপা লিগ সেমিফাইনালের প্রথম লেগে ঘরের মাঠে এএস রোমার মুখোমুখি হয় ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড। ব্রুনো ফার্নান্ডেজের গোলে নয় মিনিটের মাথায় এগিয়ে যায় ইউনাইটেড। চোটের কারণে প্রথমার্ধেই রোমা কোচ পাওলো ফনসেকাকে গোলকিপার পাও লোপেসসহ মোট তিনটি পরিবর্তন করতে হয়। কঠিন পরিস্থিতিতে আহত রোমা প্রথমার্ধের শেষে ২-১ এগিয়েই ছিল। 

চেনা শহরে ইউনাইটেডকে ফের বিদ্ধ করেন এক সময়ের ম্যাঞ্চেস্টার সিটি তারকা এডিন জেকো। সুন্দর আক্রমণ, প্রতি আক্রমণ ও পাসিংয়ের সৌজন্যে বেশ উপভোগ্য ছিল প্রথম ৪৫ মিনিট। তবে দ্বিতীয় ৪৫ মিনিটে সম্পূর্ণ একপেশে হয়ে যায় খেলা। শুরুতেই ইউনাইটেডকে সমতায় ফেরান রোমার চেনা প্রতিপক্ষ এডিনসন কাভানি। নাপোলির হয়ে বারংবার ইতালির রাজধানীর ক্লাবকে বিদ্ধ করছেন কাভানি। আবারও একবার চেনা ছবি ধরা পড়ল। দু টো গোল ও অ্যাসিস্ট করে রোমাকে বিঁধলেন উরুগুয়ে ফরোয়ার্ড। 

বাকি গোলগুলো আসে পোল পোগবা, ব্রুনো (২) এবং মেসন গ্রীনউডের পা থেকে। গতবার ওল্ড ট্রাফোর্ডে রোমার বিরুদ্ধে ম্যাচ শেষ হয় ৭-১। এবার ফের বড় ব্যবধানে জয়ের পাশাপাশি রেকর্ড ও গড়ল ইউনাইটেড। ১৯৬৪ সালে রিয়াল মাদ্রিদের পর প্রথমবার কোন দল ইউরোপের সেমিফাইনাল পর্বে ছয় গোল করল। মরশুমের ব্যাক্তিগত ২৬তম গোলটি করে অ্যালেক্স ফার্গুসন যুগের পর প্রথম রেড ডিভেলসের হয়ে এক মরশুমে ৩০ গোল করার অনেক কাছে পৌঁছে গেল পর্তুগিজ ব্রুনো। দ্বিতীয় লেগে কোনও মিরাকেল ছাড়া ইউনাটেডের ফাইনালে যাওয়া প্রায় পাকা।  

বন্ধ করুন