বাংলা নিউজ > ময়দান > টি২০ বিশ্বকাপ > ২৫০ শিশুর পড়াশোনার টাকা দেবেন বাবর, ভারত বধের পর ঘোষণা
বাবার জন্য ২৫০ জন যোগ্য শিক্ষার্থীকে শিক্ষিত করবেন বাবর (ছবি:টুইটার)
বাবার জন্য ২৫০ জন যোগ্য শিক্ষার্থীকে শিক্ষিত করবেন বাবর (ছবি:টুইটার)

২৫০ শিশুর পড়াশোনার টাকা দেবেন বাবর, ভারত বধের পর ঘোষণা

  • ভারতের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপে ঐতিহাসিক ম্যাচ জিতে নিজের বড় মনের পরিচয় দিলেন পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম। তিনি একটি মহৎ কাজের সঙ্গে লিপ্ত হয়েছেন। ২৭ বছর বয়সী ব্যাটিং সুপারস্টার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

ভারতের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপে ঐতিহাসিক ম্যাচ জিতে নিজের বড় মনের পরিচয় দিলেন পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম। তিনি একটি মহৎ কাজের সঙ্গে লিপ্ত হয়েছেন। ২৭ বছর বয়সী ব্যাটিং সুপারস্টার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি একটি EdTech প্ল্যাটফর্ম নুন-এর সাথে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে ২৫০ জন যোগ্য শিক্ষার্থীকে শিক্ষিত করবেন। আর এভাবেই ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের জয় উদযাপন করতে চান বাবর আজম। বাবর প্রতি নিজের ভালোবাসার একটা ছোট্ট প্রমাণ দিলেন বাবর আজম। 

পাকিস্তান ক্রিকেট দলের অধিনায়ক বাবর আজমের রোল মডেল হলেন তাঁর বাবা মহম্মদ আজম। সেই কারণেই বাবার কথা মতোই ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচে জয়ের সেলিব্রেশেন করতে গিয়ে এমন এক পদক্ষেপ নিয়েছেন বাবর। আজম জানিয়েছেন শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রদান করার উদ্যোগটি তার বাবার। বাবরের রোল মডেল মহম্মদ আজম এবং সায়া কর্পোরেশনকে এটা উৎসর্গ করেছেন। আজম ঘোষণা করেছেন যে এই উদ্যোগের জন্য পাকিস্তানি অর্থের ২ মিলিয়নের একটি তহবিল বরাদ্দ করা হবে। বাবর জানিয়েছেন, ‘আমি নেতৃস্থানীয় EdTech প্ল্যাটফর্ম-এর মাধ্যমে ২৫০ যোগ্য শিক্ষার্থীকে শিক্ষিত করে উদযাপন করতে চাই। এটি আমার বাবা এবং রোল মডেল, মহম্মদ আজম এবং সায়া কর্পোরেশনের জন্য এটা করলাম।’

ওয়াসিম আক্রম, ওয়াকার ইউনিস, ইনজামাম-উল-হক পাকিস্তানের ভার বয়েছেন। ইমরান খান তো বিশ্বকাপই জিতিয়েছেন। ইউনিস খানও পাকিস্তানকে এনে দিয়েছেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের স্বাদ। কিন্তু একটা কাজ কেউই করতে পারেননি। বিশ্বকাপে ভারতকে হারানোর স্বাদ পাননি তাঁদের কেউ। ২৪ অক্টোবর দিনটা পাকিস্তান ক্রিকেটে অনন্য হয়ে থাকবে। প্রথমবারের মত বিশ্বকাপের মঞ্চে ভারতকে হারিয়েছে পাকিস্তান। আর তাতেই ইমরান খান, ওয়াসিম আক্রমদের টপকে গেলেন বাবর আজম। এদিন ভারতকে হারানোর সেই মুহূর্তে মাঠেই ছিলেন বাবরের বাবা। জয় এনে দেওয়া শটটাও ছিল পাকিস্তান অধিনায়কের। গ্যালারিতে বসে সেটাই দেখছিলেন আজম সিদ্দিকী।

পাকিস্তানের জয়ের মুহূর্তে আশপাশে থাকা সমর্থকেরা যখন এসে আজম সিদ্দিকীকে অভিনন্দন জানাচ্ছিলেন, তখন আর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি তিনি। বহু চেষ্টা করেও কান্না থামাতে পারেননি।

বন্ধ করুন