প্রোটিয়া তারকা ডেল স্টেইন। ছবি- গেটি ইমেজেস।
প্রোটিয়া তারকা ডেল স্টেইন। ছবি- গেটি ইমেজেস।

আইনসিদ্ধ বল বিকৃতি! করোনার জেরে সেকথাই ভাবছে ICC

  • মুখে জেলি বিন নিয়ে বল বিকৃতির নজির রয়েছে অতীতে। এবার সেরকম প্রচেষ্টাকে বৈধতা দিতে পারে ICC।

যা ছিল চরম অপরাধ, তাকেই স্বীকৃতি দিতে চলেছে আইসিসি। ক্রিকেট মাঠে দীর্ঘদিনের নিয়ম বিরুদ্ধ বিষয়কে অইনসিদ্ধ করার কথা ভাবছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা। করোনা ভাইরাসের সৌজন্যে এমন বিসদৃশ ছবিই দেখা যেতে পারে মহামারির পর নতুন করে খেলা শুরু হলে।

ক্রিকেটে, বিশেষ করে টেস্টে বলের পালিশ বজায় রাখা একটা শিল্প বলেই বিবেচিত হয়। বোলারদের জন্য অত্যন্ত কার্যকর এটা। শুরুর দিকে ব্যাটম্যান এবং বোলার উভয়েই সাহায্য পান নতুন বল থেকে। তবে বল একটু পুরনো হলেই পেসারদের জন্য তার ব্যবহার কঠিন হয়ে দাঁড়ায়।

একারণেই ফিল্ডিং দলের প্রায় প্রত্যেকেই বলের একদিক ক্রমাগত ঘসতে থাকেন ট্রাউজারে। কমবেশি সবাইকেই মুখ থেকে লালা লাগাতে দেখা যায় বলে। বিশেষ করে বোলররা প্রতিটা ডেলিভারির আগে রান-আপে ফিরে যাওয়ার সময় এটা করে থাকেন।

করোনার জেরে বলের পালিশ বজায় রাখতে মুখের লালা ব্যবহার নিষিদ্ধ হতে পারে। অথচ ব্যাটসম্যান এবং বোলার, উভয়ের জন্য লড়াই সমান-সমান করতে হলে বলের পালিশ বজায় রাখা জরুরি। নতুবা একটি বলে টানা ৮০ ওভার খেলা দুঃসহ হয়ে দাঁড়াবে বোলারদের কাছে।

এই সমস্যা দূর করতে বলে কৃত্তিম কোনও পদার্থ বা রাসায়নিক ব্যবহারের অনুমতি দিতে পারে আইসিসি, যা এতদিন কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ছিল। বলে কৃত্তিম কোনও পদার্থ ব্যবহার করলে তা বল বিকৃতি হিসেবেই বিবেচিত হতো এবং তার জন্য শাস্তিও পেতে হতো সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটারকে।

অতীতে বহু ক্রিকেটারকে নির্বাসিত পর্যন্ত হতে হয়েছে এভাবে বল বিকৃতির চেষ্টা করায়। ক্রিকেটারদের মুখে লজেন্স বা জেলি বিন জাতীয় কিছু রেখে তার আঠালো পদার্থ দিয়ে বল পালিশ করার চেষ্টা করতে দেখা গিয়েছে অতীতে। করোনার সৌজন্যে সেই নিষিদ্ধ ছবি আবার দেখা যেতে পারে। যদিও এবার তা আর নিষিদ্ধ থাকবে না।

বন্ধ করুন