বাংলা নিউজ > ময়দান > The Ashes: করোনার কবলে দলের সাপোর্ট স্টাফ, মেলবোর্নে ঝুলে ইংল্যান্ডের ভাগ্য
মেলবোর্নে নামা ইংল্যান্ড ক্রিকেট দল। ছবি- রয়টার্স। (REUTERS)

The Ashes: করোনার কবলে দলের সাপোর্ট স্টাফ, মেলবোর্নে ঝুলে ইংল্যান্ডের ভাগ্য

  • পাঁচ ম্যাচের সিরিজে প্রথম দুই টেস্টের দু'টোই হেরেছে ইংল্যান্ড।

মেলবোর্নে দ্বিতীয় দিনের শেষে মাঠে স্কোরের বিচারে এমনিতেই চাপে ইংল্যান্ড। উপরন্তু, গোদের ওপর বিষফোঁড়া মতো জো রুটদের শিবিরে আগমন ঘটল করোনার। দলের দুই সাপোর্ট স্টাফ এবং তাদের পরিবারের দুইজন সদস্যের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। এর জেরেই বাকি সিরিজ খেলা হবে কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে জট। 

মেলবোর্নে বক্সিং ডে (২৬ ডিসেম্বর) টেস্টের দ্বিতীয় দিনেই সদস্যদের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে। ফলে ইংল্যান্ড শিবিরে আশঙ্কার সৃষ্টি হয়। গোটা ইংল্যান্ড স্কোয়াড়ের অ্যান্টিজেন টেস্ট হওয়ার পরেই কোনো বাধা ছাড়া দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু হয়। এই যা দ্বিতীয় দিনের খেলা নির্ধারিত সময়ের ৩০ মিনিট পরে শুরু হয়। তবে অ্যান্টিজেন টেস্টে পাশ করলেও কিন্তু আশঙ্কা এখনও কাটেনি।

আরও নির্ভুল রিপোর্টের জন্য গোটা দলেরই পিসিআর টেস্ট করা হয়। সেই টেস্টের ফলাফল মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) সকালের আগে পাওয়া যাবে না। রিপোর্ট নেগেটিভ আসলে তবেই তৃতীয় দিনের খেলা শুরু হবে। তবে আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী দলের মধ্যেকার কোনো ক্রিকেটার করোনা আক্রান্ত হলে উক্ত দল ম্যাচ রেফারির সম্মতি নিয়েই তার বদলে একই ধরনের আরেকজন ক্রিকেটারকে দলে নিতে পারবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে সেই ক্রিকেটার যেন একই ধাচের হয় এবং দলকে বাড়তি সুবিধা না প্রদান করে।

কোনো ক্রিকেটার আক্রান্ত হলে বাকিদেরও কাছাকাছি আসার জেরে নিভৃতবাসে সময় কাটাতে হবে কি না, সেই বিষয়টা এখনও সুস্পষ্ট নয়। ইংল্যান্ড তারকা জেমস অ্যান্ডারসনও দলের সকলের পিসিআর টেস্ট হওয়ার কথা স্বীকার করে নেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের সকলেরই পিসিআর টেস্ট হয়েছে। আমাদের সকলেরই ফলাফল নেগেটিভ হওয়ার দরকার। তবে টেস্টের ফলাফল পাওয়ার জন্য আমাদের এখনও অপেক্ষা করতে হবে।’ 

প্রসঙ্গত, দ্বিতীয় দিনের শেষে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে এখনও ৫১ রানে পিছিয়ে থাকা ইংল্যান্ড ৩১ রানে চার উইকেট হারিয়ে ফেলেছে। অ্যাসেজ ও সিরিজ জয়ের আশা জীবিত রাখতে এই ম্যাচ জিততেই হবে জো রুটদের। এমনিতেই মাঠের পারফরম্যান্সে চাপে থাকা ইংল্যান্ডের ওপর এই গোটা ঘটনার প্রভাব পড়তে বাধ্য। এমন অবস্থায় খেলা আদৌ চালিয়ে যাওয়া উচিত কি না, সেই নিয়েও প্রশ্নচিহ্ন থাকছেই।

বন্ধ করুন