ডিসেম্বর মাসে সূর্যগ্রহণ গণনা করে জ্যোতিষীদের ধারণা, এই গ্রহণের প্রভাবেই সমস্যা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে।
ডিসেম্বর মাসে সূর্যগ্রহণ গণনা করে জ্যোতিষীদের ধারণা, এই গ্রহণের প্রভাবেই সমস্যা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে।

কেমন কাটবে সমস্যা জর্জরিত ২০২০ সালের শেষ মাসগুলি, জানুন

  • আগামী দিনে বন্যা, ভূস্খলন, ভূমিকম্পের মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। করোনাভাইরাসের প্রকোপ বহাল থাকবে।

সমগ্র বিশ্ব এবং ভারতে করোনা ভাইরাস তার জাল বিস্তার করেছে। ২০২০ সালের শুরু থেকেই সমস্যা বেড়ে চলেছে। গত ডিসেম্বর মাসে সূর্যগ্রহণ গণনা করে জ্যোতিষীদের ধারণা, এই গ্রহণের প্রভাবেই সমস্যা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে।

আবার আগামী জুন মাসেই চন্দ্র এবং সূর্যগ্রহণ ঘটবে। চন্দ্রগ্রহণ যদিও উপচ্ছায়া গ্রহণ, কিন্তু সূর্যগ্রহণের প্রভাব দীর্ঘ সময় পর্যন্ত থেকে যাবে। মিথুন রাশিতে এই গ্রহণ হবে এবং সেই সময় ৯টির মধ্যে ৬টি গ্রহের বক্রদশা চলবে। এতগুলি গ্রহের একসঙ্গে বক্রদশা কোনও সাধারণ ঘটনা নয়। এর পরিণাম দূরগামী হতে পারে।

প্রায় ছয় থেকে সাত মাস পর্যন্ত সূর্যগ্রহণের শুভ ও অশুভ প্রভাব থাকবে। জুন মাসের এই সূর্যগ্রহণের প্রভাব ২০২১ সালের জানুয়ারি মাস পর্যন্ত থাকবে। আবার এতগুলি গ্রহের বক্রদশাও কোনও বড় প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের দিকে ইঙ্গিত করছে।

এ ক্ষেত্রে প্রত্যেককেই নিজের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। আগামী দিনে লকডাউন ওঠার পর সকলেই বাড়ির বাইরে পা দেবেন, কিন্তু সে সময় অত্যধিক সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। কারণ করোনা সংক্রমণের পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। কিন্তু প্রত্যেকে যদি সচেতন থাকেন, তা হলে ভারতে এই অতিমারি আটকানো যেতে পারে।

আগামী দিনে বন্যা, ভূস্খলন, ভূমিকম্পের মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। আর করোনাভাইরাস আগামী দিনেও বহাল থাকবে। তাই এই সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য সম্মিলিত প্রচেষ্টা আবশ্যকীয়।

বন্ধ করুন