বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > ‘‌কেউ কিছু করতে পারবে না’‌, মদন মিত্রের নাম ভাঁড়িয়ে প্রতারণা, গ্রেফতার প্রোমোটার
মদন মিত্রের সঙ্গে ফোটো দেখিয়ে প্রতারণা

‘‌কেউ কিছু করতে পারবে না’‌, মদন মিত্রের নাম ভাঁড়িয়ে প্রতারণা, গ্রেফতার প্রোমোটার

  • একবছর আগে এলাকার বাসিন্দা গণেশ কর্মকার নির্মাণ কাজ চলছে এমন একটি ফ্ল্যাট বুক করেছিলেন প্রোমোটার কেদার ঘোষালের কাছে৷ পেশায় স্বর্ণ ব্যবসায়ী গণেশ কর্মকার বুকিং বাবদ ১৭ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন৷ ফ্ল্যাট সম্পূর্ণ তৈরি হয়ে গেলে গণেশবাবু ফ্ল্যাটে যান৷ কিন্তু তখন তিনি ফ্ল্যাটে ঢুকতে পারেননি৷

কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের সঙ্গে ফোটো আছে। এই দেখিয়ে প্রতারণা করার অভিযোগ উঠল এক প্রোমোটারের বিরুদ্ধে৷ এই ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির উত্তরপাড়ায়৷ এক ক্রেতা এই অভিযোগ তুলে থানার দ্বারস্থ হলে অভিযুক্ত প্রোমোটারকে গ্রেফতার করে উত্তরপাড়া থানার পুলিশ৷ অভিযুক্তের নাম কেদার ঘোষাল৷

বিষয়টি ঠিক কী ঘটেছে?‌ একবছর আগে এলাকার বাসিন্দা গণেশ কর্মকার নির্মাণ কাজ চলছে এমন একটি ফ্ল্যাট বুক করেছিলেন প্রোমোটার কেদার ঘোষালের কাছে৷ পেশায় স্বর্ণ ব্যবসায়ী গণেশ কর্মকার বুকিং বাবদ ১৭ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন৷ ফ্ল্যাট সম্পূর্ণ তৈরি হয়ে গেলে গণেশবাবু ফ্ল্যাটে যান৷ কিন্তু তখন তিনি ফ্ল্যাটে ঢুকতে পারেননি৷ কারণ ওই ফ্ল্যাটটি প্রোমোটার কেদার ঘোষাল অন্য এক ব্যক্তিকে বিক্রি করে দিয়েছে৷ তখন গণেশবাবু ১৭ লক্ষ টাকা ফেরত দিতে বলেন৷ কিন্তু প্রোমোটার সেই টাকা ফেরত দেননি।

ঠিক কী অভিযোগ গণেশবাবুর?‌ এই বিষয়ে স্বর্ণব্যবসায়ী গণেশ কর্মকার বলেন, ‘আমি যখন কেদারের কাছে টাকা চাইতে যাই তখন তিনি আমায় টাকা দিতে অস্বীকার করেন৷ তারপর আমি যখন পুলিশে জানানোর কথা বলি তখন উনি মদন মিত্রের সঙ্গে তাঁর একটা ছবি দেখিয়ে আমায় বলে কেউ আমায় কিছু করতে পারবে না৷ শুধু মদন মিত্রের সঙ্গে না কেদার আমার কাছে দাবি করেন তাঁর সঙ্গে নাকি তৃণমূল কংগ্রেসের বড় নেতাদের ভালো সম্পর্ক আছে৷ তাই আমি পুলিশকে বলে কিছু করতে পারব না৷’

তারপর ঠিক কী ঘটল?‌ গণেশবাবু মামলা করার হুঁশিয়ারি দিলে প্রেমোটার কেদার একটি চেক দেয়৷ কিন্তু সেই চেক বাউন্স করে৷ তখন তিনি উত্তরপাড়া থানার পুলিশের দ্বারস্থ হন৷ শ্রীরামপুর আদালতে প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেন৷ স্বর্ণ ব্যবসায়ীর অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত কেদারকে গ্রেফতার করে উত্তরপাড়া থানার পুলিশ৷ শ্রীরামপুর আদালতে পুলিশ প্রোমোটারকে হাজির করলে আদালত চারদিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেয়৷

বন্ধ করুন