বাড়ি > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > বিশ্বে প্রথম, ছয় মহাদেশে এবার ইসকনের রথের ডিজিটাল যাত্রা
শিলিগুড়ির ইস্কন মন্দিরে স্নান যাত্রা (ছবি সৌজন্য এএফপি)
শিলিগুড়ির ইস্কন মন্দিরে স্নান যাত্রা (ছবি সৌজন্য এএফপি)

বিশ্বে প্রথম, ছয় মহাদেশে এবার ইসকনের রথের ডিজিটাল যাত্রা

  • আরতি এবং ভোগ দেওয়ার জন্য ভক্তদের রেজিস্টার করতে হবে।

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে বিশ্বে প্রথম ডিজিটাল রথযাত্রার আয়োজন করতে চলেছে ইসকন কর্তৃপক্ষ। ছ'টি মহাদেশে এই রথযাত্রা দেখানো হবে।

ইতিমধ্যে পুরীর রথযাত্রায় স্থগিতাদেশ জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট। সেই পরিস্থিতিতে মায়াপুরে ইসকনের সদর দফতরের কমিউনিকেশন অফিসার সুব্রত দাস বলেন, ‘এটা বিশ্বের প্রথম ডিজিটাল রথযাত্রা হবে। যা ২৩ এবং ২৪ জুন ছ'টি মহাদেশে দেখানো হবে। এটির নাম হবে মার্সি ইন উইলস। ১০৮ টি রথ থাকবে।’ 

১৯৬৭ সালে সান ফ্রান্সিসকোতে ইসকনের রথযাত্রার সূচনা করেছিলেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা শ্রীল প্রভুপাদ। তারপর থেকে প্রতি বছর অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে রথযাত্রা পালন করা হয়। করোনা সংকটের কারণে এবার সেই বিশ্বাস অটুট রেখে রথযাত্রার পরিকল্পনা করেছে ইসকন। জয়পতাকা স্বামী বলেন, ‘মহামারীর বছর হওয়ায় ভক্তরা রাস্তায় বেরোতে পারবেন না এবং বড় করে উৎসব পালন করতে পারবেন না। তাই ভাবনাটা ছিল যে বলদেব এবং সুভদ্রার সঙ্গে সারা বিশ্বের ভক্তদের বাড়ি যাবেন ভগবান জগন্নাথ।’

‘যজমান’ হওয়ার জন্য বিনামূল্যেই রেজিস্টার করা যাবে। যিনি রেজিস্টার করবেন, তাঁকে একটি কোড এবং নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করে একটি লিঙ্ক পাঠানো হবে। কো-অর্ডিনেটরের সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হবে। প্রতিটি রথ টানবেন ইসকনের একজন নেতা।

ইসকনের মুখপাত্র বলেন, ‘আগামী ২৩ জুন মায়াপুরে উৎসব শুরু হবে এবং সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে দেখা যাবে। সকাল ১০ টা নাগাদ ১০৮ দিকে রথ বেরোবে। যে ভক্তদের কাছে কোড আছে, তাঁরা নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী আরতি এবং ভোগ দিতে পারেন। এরপর রথ পরবর্তী যজমানের কাছে যাবে। পরদিন সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত এরকম চলবে।’ ইসকন কর্তৃপক্ষের আশা, মোটামুটি ৩০,০০০ হাজার পরিবার এই ডিজিটাল রথযাত্রায় অংশ নেবেন।

বন্ধ করুন