বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > বেড়ে গেল সহায়ক মূল্য, অতিরিক্ত ধান কেনার টার্গেট, নবান্নের নয়া ঘোষণা
সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রির সময়ও চলে এসেছে।  (ছবি সৌজন্য পিটিআই)
সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রির সময়ও চলে এসেছে।  (ছবি সৌজন্য পিটিআই)

বেড়ে গেল সহায়ক মূল্য, অতিরিক্ত ধান কেনার টার্গেট, নবান্নের নয়া ঘোষণা

  • তবে ফড়ে কীভাবে আটকানো যাবে তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন

পুজো মিটে গিয়েছে। এবার ধান বিক্রির সময় চলে এল। এই সময়টার জন্যই অপেক্ষা করেন কৃষকরা। তবে নবান্ন থেকে কৃষকদের জন্য এবার বড় ঘোষণা। সরকারের ঘোষণা অনুসারে শুধু সহায়কমূল্যে ধান কেনাই নয়, ধান কেনার পরিমাণও বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। শুধু তাই নয়, সহায়ক মূল্যও কুইন্টাল পিছু বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে অনেকটাই। এতে একেবারে খুশির বান ডেকেছে কৃষকদের মধ্যে। ইতিমধ্য়েই মুর্শিদাবাদে এনিয়ে ইতিমধ্যেই ঘোষণা করা হয়েছে।

 মুর্শিদাবাদ জেলা খাদ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, গত মরসুমে জেলায় ৪ লক্ষ ৫ হাজার মেট্রিক টন ধান কেনার লক্ষ্য মাত্রা ধার্য্য করা হয়েছিল। এবার সেই টার্গেট বৃদ্ধি করে চার লক্ষ ৩২ হাজার টন করা হয়েছে। তবে শুধু ধান কেনার পরিমাণই নয়, কুইন্টাল প্রতি বাড়তি দামও দেওয়া হবে কৃষকদের। গতবার ধান কেনা হয়েছিল প্রতি কুইন্টাল ১ হাজার ৮৬৮ টাকা দরে। বর্তমানে সেই ধান কেনা হবে ১ হাজার ৯৪০ টাকা প্রতি কুইন্টাল দরে। সেক্ষেত্রে প্রতি কুইন্টালে ধানের সহায়ক মূল্য ৭২ টাকা করে বেশি দেওয়া হচ্ছে। এর জেরে স্বাভাবিকভাবে উপকৃত হবেন কৃষকরা। 

তবে কৃষকদের একাংশ অবশ্য় অন্য আশঙ্কা করছেন। তাঁদের একাংশের দাবি কিষাণ মান্ডিতে নিয়ে গিয়ে ধান বিক্রির ক্ষেত্রে চাষিদের নানা ঝামেলা পোহাতে হয়। সেক্ষেত্রে ফড়েরাই কৃষকদের একাংশের কাছ থেকে ধান কিনে নেয়। এবার ধানের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় ফের সক্রিয় হতে পারে ফড়েরা। সেক্ষেত্রে প্রকৃত কৃষকরাই যাতে অতিরিক্ত দামের সুবিধা পান সেটা দেখা দরকার। তবে খাদ্য দফতর জানিয়েছে, কৃষকরা যাতে নিজেরাই ধান বিক্রি করতে পারেন সেদিকে নজরদারি রাখা হচ্ছে।

 

বন্ধ করুন