বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > অন্যান্য জেলা > 'ন্যাকে মান বাড়ানোর ক্ষমতা আছে',বিশ্বভারতীর নম্বর কমে যাওয়ার মধ্যেই বিতর্কে VC
বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। ফাইল ছবি
বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। ফাইল ছবি

'ন্যাকে মান বাড়ানোর ক্ষমতা আছে',বিশ্বভারতীর নম্বর কমে যাওয়ার মধ্যেই বিতর্কে VC

  • বিতর্কে জড়িয়েছেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য।

বুধবারই বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে মূল্যায়ন প্রকাশ করেছে ন্যাশনাল অ্যাসেসমেন্ট অ্যান্ড অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিল (ন্যাক)। আর তারপরেই প্রকাশ্যে এসেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর একটি ভিডিয়ো ফুটেজ (সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা)। যাতে ন্যাক নিয়ে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে। আর তারপরে শুরু হয়েছে বিতর্ক।

ন্যাকের মূল্যায়নে এবার বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের পয়েন্ট কিছুটা কমেছে। সেইসঙ্গে আগেরবারের মতো এবারও ন্যাকের মূল্যায়নে 'বি প্লাস' পেয়েছে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। আর এরপরের দিনই বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের যে ভিডিয়ো ফুটেজ সামনে এসেছে তাতে উপাচার্যকে বলতে শোনা গিয়েছে যে, তিনি নাক নিয়ে কোনও আগ্রহ দেখাবেন না। ভিডিয়ো ফুটেজে তিনি দাবি করেছেন, 'ন্যা নিয়ে চিন্তা করার কিছুই নেই। আমি সব ঠিক করে দেব। ন্যাকে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের মান বাড়ানোর ক্ষমতা আমার রয়েছে। তাই ন্যাক নিয়ে এখন আমি আগ্রহ দেখাচ্ছি না।'

যদিও এই ভিডিযো ফুটেজের সত্যতা যাচাই করা হয়নি। তবে এরকম বক্তব্যকে ঘিরে সমালোচনার মুখে পড়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। বিশ্বভারতীর অধ্যাপক সংগঠন ভিবিইউএফএ-র সভাপতি সুদীপ্ত ভট্টাচার্য এই ঘটনায় তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন , 'একজন উপাচার্যের পক্ষে এই ধরনের মন্তব্য করা কখনই শোভনীয় নয়। তা শিক্ষা ব্যবস্থাকে অপমান করা। এই ঘটনায় তদন্ত করা উচিত । '

উপাচার্যের এরকম বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সরব হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী এবং আশ্রমিকরাও। এই বক্তব্যে দুঃখ প্রকাশ করে আশ্রমিক সুব্রত সেন মজুমদার বলেন, 'রাজ্যের একমাত্র কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতি সকলের ভালোবাসা শ্রদ্ধা এবং বিশ্বাস থাকা উচিত। তা না হলে উন্নয়ন হওয়া সম্ভব নয়।'

উল্লেখ্য, গত মাসের শেষের দিকেই বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন করেন ন্যাকের প্রতিনিধিরা। এরপরেই উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং শিক্ষাকর্মীদের নিয়ে একটি ভার্চুয়াল মিটিং করেন। সেই বৈঠকেই তাকে এই বক্তব্য দিতে গিয়ে শোনা যায়। যদি এই বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনও বক্তব্য জানা যায়নি।

বন্ধ করুন