বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > হাফ প্যান্ট বিতর্কে কসবা থানার কন্সটেবল ও সিভিক ভলান্টিয়ারকে তলব লালবাজারের
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

হাফ প্যান্ট বিতর্কে কসবা থানার কন্সটেবল ও সিভিক ভলান্টিয়ারকে তলব লালবাজারের

  • গত ২৩ জুলাই বর্ণিক দত্ত নামে এক যুবক কসবা থানায় চুরির অভিযোগ জানাতে যান। সঙ্গে ছিলেন বর্ণিকবাবুর এক বন্ধু। দু’জনেরই পরনে ছিল হাফ প্যান্ট। হাফ প্যান্ট পরে থানায় এলে অভিযোগ নেওয়া হবে না বলে ফিরিয়ে দেওয়া হয় ওই ২ জনকে।

হাফ প্যান্ট পরে যাওয়ায় অভিযোগ না নিয়ে ফিরিয়ে দেওয়ার অভিযোগে কসবা থানার ১ পুলিশকর্মী ও ১ সিভিক ভলান্টিয়ারকে তলব করলেন কলকাতা ডেপুটি কমিশনার। এই ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়তে হয় কলকাতা পুলিশকে। কোন নির্দেশের ভিত্তিতে পোশাকবিধি আরোপ করেছিলেন ওই ২ ব্যক্তি তা ডেপুটি কমিশনার জানতে চাইতে পারেন বলে সূত্রের খবর।

গত ২৩ জুলাই বর্ণিক দত্ত নামে এক যুবক কসবা থানায় চুরির অভিযোগ জানাতে যান। সঙ্গে ছিলেন বর্ণিকবাবুর এক বন্ধু। দু’জনেরই পরনে ছিল হাফ প্যান্ট। হাফ প্যান্ট পরে থানায় এলে অভিযোগ নেওয়া হবে না বলে ফিরিয়ে দেওয়া হয় ওই ২ জনকে। হাফ প্যান্টে কী সমস্যা? জানতে চাইলে এক কন্সটেবল বলেন, অফিসে হাফ প্যান্ট পরে যান? এটাও অফিস। পরে ফুল প্যান্ট পরে গেলে তাঁদের অভিযোগ গ্রহণ করা হয়।

এর পর টুইটারে কলকাতা পুলিশের হ্যান্ডেলে ঘটনার কথা জানান বর্ণিকবাবু। জানান, কী ভাবে তাঁদের হেনস্থা হতে হয়েছে। ঘটনার পর প্রশ্ন ওঠে, কেউ হাফ প্যান্ট পরে রাস্তায় বেরিয়ে আক্রান্ত হলে সে আগে থানায় যাবে না ফুল প্যান্ট খুঁজবে? এই নিয়ে সমালোচনা শুরু হলে তৎপর হন কলকাতা পুলিশের আধিকারিকরা। লালবাজার সূত্রের খবর, পুলিশকর্মীদের মধ্যে নীতি পুলিশি করার প্রবণতা অঙ্কুরেই বিনাশের নির্দেশ দেন পুলিশ কমিশনার সৌমেন মিত্র।

এর পর কসবা থানার আইসির কাছে রিপোর্ট চায় লালবাজার। তাতে উঠে আসে এক কন্সটেবল ও এক সিভিক ভলান্টিয়ারের নাম। বুধবার তাঁদের তদব করেছেন ডেপুটি কমিশনার। এবার দেখার তাঁদের বিরুদ্ধে লালবাজার কোনও পদক্ষেপ করে, না সতর্ক করেই ছেড়ে দেওয়া হয় ২ জনকে।

বন্ধ করুন