বাংলা নিউজ > বাংলার মুখ > কলকাতা > বৈঠকের হিড়িক কমুক কাজের গতি বাড়ুক, মুখ্যমন্ত্রীর ইচ্ছা নিয়ে ভাবনাচিন্তায় নবান্ন
নবান্ন (‌ছবি সৌজন্য টুইটার)‌
নবান্ন (‌ছবি সৌজন্য টুইটার)‌

বৈঠকের হিড়িক কমুক কাজের গতি বাড়ুক, মুখ্যমন্ত্রীর ইচ্ছা নিয়ে ভাবনাচিন্তায় নবান্ন

  • এখন রাজ্যজুড়ে দুয়ারে সরকার প্রকল্প নিয়ে আসা হয়েছে। তাই কাজে গতি বাড়ুক চান মুখ্যমন্ত্রী।

প্রশাসনিক কাজে আরও গতি আনতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই জেলা থেকে শহর সর্বত্র বৈঠক কমাতে চান তিনি। জেলাশাসকরা বৈঠক বেশি করছেন। তাই তাঁদের কাঁধ থেকে এই ভার কমিয়ে কাজে গতি আরও বাড়ুক চান মুখ্যমন্ত্রী। এই কথা তিনি মুখ্যসচিবকে বলেছেন বলে সূত্রের খবর। তাই জেলা প্রশাসনের উপর বৈঠকের বাড়তি ‘বোঝা’ কমাতে চাইছে নবান্ন। এমনকী এই বিষয়ে আগামী দিনে নির্দেশ দিতে চলেছে নবান্ন বলেও সূত্রের খবর।

এখন রাজ্যজুড়ে দুয়ারে সরকার প্রকল্প নিয়ে আসা হয়েছে। তাই কাজে গতি বাড়ুক চান মুখ্যমন্ত্রী। এক্ষেত্রে যতটা সম্ভব কম বৈঠক করে মানুষজনকে পরিষেবা দেওয়ার কাজ বাড়ানো হোক বলে প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামী ২ জানুয়ারি থেকে ফের দুয়ারে সরকার প্রকল্প শুরু হচ্ছে রাজ্যজুড়ে। তাই সেখানে যাতে মানুষজন দ্রুত পরিষেবা পান সেদিকে নজর দিতেও তিনি নির্দেশ দিয়েছেন বলে নবান্ন সূত্রে খবর।

জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, মুখ্যসচিব নিজে মাঝেমধ্যে জেলাশাসকদের সঙ্গে বৈঠক করে করেন। এছাড়া প্রত্যেকদিনই গড়ে ২–৩টি করে বৈঠকে মিলিত হন জেলাশাসকরা। সুতরাং মাসে অন্তত ৬০–৭০টি বৈঠক করতে হয়। আবার রাজ্যের নির্দেশ মহকুমা এবং ব্লক স্তরে পৌঁছে দিতে বৈঠক করতে হয়। তাই এই বৈঠকগুলি করতেই সময় কেটে যায়।

নবান্ন সূত্রে খবর, এখন অনলাইন বা ভার্চুয়াল মাধ্যমের বৈঠক করতেও ব্যস্ত থাকেন জেলাশাসকরা। সেখানেও বেশ খানিকটা সময় লেগে যায়। কোনও বিষয়ে আলোচনার প্রয়োজন হলেই বৈঠক ডাকা হয়। এই মনোভাবকেও বদলাতে চাইছে নবান্ন। দু’সপ্তাহে একবার বৈঠক করার ভাবনাচিন্তা করা হচ্ছে। বরং ই–মেল, হোয়াটসঅ্যাপ, ফোন এবং সরকারি চিঠিপত্রের মাধ্যমেই সমন্বয় রাখার কথা ভাবা হচ্ছে। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক নবান্নের আধিকারিক বলেন, ‘‌বৈঠকের সংখ্যা কমাতে চাইছে প্রশাসন। এতে জেলাশাসক এবং তাঁর অফিসাররা কিছুটা সময় বেশি পাবেন কাজের জন্য।’‌

বন্ধ করুন