বাংলা নিউজ > হাতে গরম > ১৪ জনের প্রাণ বাঁচাতে সাহায্য অফিসারের, শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভরতি হাসপাতালে
হাসপাতালে পুরোনো দিল্লির অতিরিক্ত জেলাশাসক রাজেশ শুক্লা (ছবি সৌজন্য হিন্দুস্তান টাইমস)
হাসপাতালে পুরোনো দিল্লির অতিরিক্ত জেলাশাসক রাজেশ শুক্লা (ছবি সৌজন্য হিন্দুস্তান টাইমস)

১৪ জনের প্রাণ বাঁচাতে সাহায্য অফিসারের, শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় ভরতি হাসপাতালে

  • রাজেশ শুক্লা বলেন, আমার নিঃশ্বাসের সঙ্গে প্রচুর ধোঁয়া ঢুকে গিয়েছিল। ফলে প্রচণ্ড মাথাব্যথা করছিল। আপাতত হাসপাতালের জরুরি বিভাগে তাঁকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

শুধু দমকলের পোশাক পরে রয়েছেন। তবে নেই অক্সিজেন সিলিন্ডার। অথচ জ্বলন্ত কারখানা থেকে গলগল করে ধোঁয়া বেরোচ্ছে। তাতে পরোয়া করেননি পুরোনো দিল্লির অতিরিক্ত জেলাশাসক রাজেশ শুক্লা। ভিতরে ঢুকে প্রথম দফায় কয়েকজনকে বের করে আনেন। পরে ফের ভিতরে ঢোকেন। এবারও কয়েকজনের প্রাণ রক্ষা করেন তিনি। নিজেরও আঘাত লাগে। সঙ্গে ধোঁয়ার কারণে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা শুরু হয়। সেজন্য হাসপাতালে ভরতি করা হয় তাঁকে।

আজ ভোর পাঁচটার সময় দিল্লির রানি ঝাঁসি রোডে একটি কার্ডবোর্ড কারখানায় ভয়াবহ আগুন লাগে। সেই খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান রাজেশ। তিনি বলেন, “ভাগ্যবশত, আমি দমকলের পোশাক পরেছিলাম। তৎক্ষণাৎ কারখানার ভিতরে যাই। যেখানে লোকজন আটকে রয়েছে বলে খবর পাই, সেখানে যাই। গিয়ে দেখি, মাত্র দুজনের জ্ঞান আছে।" সেই দুজন-সহ প্রথম দফায় ১৪ জনকে উদ্ধার করেন রাজেশ ও অন্য দমকলকর্মীরা।

তারপর ফের কারখানার ভিতরে ঢোকেন রাজেশ। তবে এবার সঙ্গে ছিল অক্সিজেন সিলিন্ডার। রাজেশ বলেন, "বাইরের বেরোনোর রাস্তাতেই তখন আগুন জ্বলছে। পাশের ঘরও আগুনের লেলিহান শিখার গ্রাসে গিয়েছে। ভালো হয়েছিল আমরা গিয়েছিলাম। কারণ, অন্য একটি ঘরে ৩০ জন অজ্ঞান হয়ে পড়েছিলেন। তাঁদেরও উদ্ধার করি।"

পরে রাজেশকে লোক নায়েক হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। হাঁটুতে সামান্য আঘাত লেগেছে তাঁর। রাজেশ বলেন, "আমার নিঃশ্বাসের সঙ্গে প্রচুর ধোঁয়া ঢুকে গিয়েছিল। ফলে প্রচণ্ড মাথাব্যথা করছিল।" আপাতত হাসপাতালের জরুরি বিভাগে তাঁকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। অক্সিজেনও দেওয়া হয়েছিল। তবে তার মধ্যেই কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে রাজেশ বলেন, "প্রথমবার উদ্ধার করেছিলাম যাঁদের, তাঁদের অধিকাংশই বেঁচে আছেন।"

বন্ধ করুন