বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > মুসলিম সমাজের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ কঙ্গনার, প্রসঙ্গ আমির খান-কিরণ রাও তালাক!
আমির খান-কিরণ রাও তালাক প্রসঙ্গে নিজের মতামত জানালেন কঙ্গনা রানাওয়াত। 
আমির খান-কিরণ রাও তালাক প্রসঙ্গে নিজের মতামত জানালেন কঙ্গনা রানাওয়াত। 

মুসলিম সমাজের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ কঙ্গনার, প্রসঙ্গ আমির খান-কিরণ রাও তালাক!

আমির-কিরণ ডিভোর্স নিয়ে কঙ্গনা, ‘মুসলমানকে বিয়ে করার জন্য কেন ধর্ম পরিবর্তন?’

শনিবার হঠাৎই বিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করেন বলিউডের সবচেয়ে চর্চিত জুটি আমির খান ও কিরণ রাও। যা শুধু আমিরের ভক্তদের নয়, হতবাক করে দিয়েছিল ইন্ডাস্ট্রিকেও। যৌথ বিবৃতির মাধ্যমে আমির ও কিরণ জানিয়েছেন, ১৫ বছর সুখে ও আনন্দে কাটানোর পর তাঁদের পথ আলাদা হল। যদিও ছেলের সমস্ত দায়িত্ব দু'জন একসঙ্গে পূরণ করবেন। এবং কর্মজীবনেও একসাথে তাঁদের দেখা যাবে। 

আমির-কিরণ প্রসঙ্গে দিন দু'য়েক পর নিজের মন্তব্য প্রকাশ করলেন কঙ্গনা রানাওয়াত।নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে দীর্ঘ নোটেকঙ্গনা লিখেছিলেন, ‘একসময় পঞ্জাবের বেশিরভাগ পরিবারে এক ছেলেকে হিন্দু এবং অন্য জনকে শিখ করার প্রথা ছিল। হিন্দু ও মুসলমান বা শিখ ও মুসলমানদের মধ্যে এ জাতীয় প্রবণতা দেখা যায়নি। আমির খান স্যারের দ্বিতীয় বিবাহ বিচ্ছেদের পরে আমি ভাবলাম যে কেন আন্তঃধর্মীয় বিবাহের ক্ষেত্রে বাচ্চারা সবসময়ই মুসলমান পরিচিতি পায়। মহিলারা কেন হিন্দু থাকতে পারেন না? সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে আমাদেরও এটি পরিবর্তন করা উচিত। হিন্দু, জৈন, বৌদ্ধ, শিখ, এবং নাস্তিকরা যদি এক পরিবারে একসঙ্গে থাকতে পারে তবে মুসলমানরা কেন নয়? সর্বোপরি, মুসলমানকে বিয়ে করার জন্য কেন কাওকে ধর্ম পরিবর্তন করতে হবে?’

কঙ্গনা রানাওয়াতের ইনস্টা স্টোরি। 
কঙ্গনা রানাওয়াতের ইনস্টা স্টোরি। 

প্রসঙ্গত, ২০০৫ সালে কিরণ রাওকে বিয়ে করেন আমির। তাঁদের পুত্র সন্তানের নাম আজাদ। এর আগে ১৯৮৬ সালে রিনা দত্তকে বিয়ে করেছিলেন আমির। ২০০২ সালে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়। আমির ও রিনার দুই ছেলে-মেয়ে, জুনায়েদ ও আইরা। দু'জনেই রিনার কাছে থেকে বড় হচ্ছেন।

বন্ধ করুন