বাংলা নিউজ > বায়োস্কোপ > Shershaah: বিক্রম বত্রার অন্ত্যেষ্টির দৃশ্য দেখে নিজেকে সামলাতে পারলেন না কিয়ারা!
শেরশাহ-র শেষ দৃশ্য দেখে নিজেকে সামলাতে পারলেন না কিয়ারা

Shershaah: বিক্রম বত্রার অন্ত্যেষ্টির দৃশ্য দেখে নিজেকে সামলাতে পারলেন না কিয়ারা!

  • পর্দার অভিব্যক্তি বাস্তবে ফের সামনে এল, শেরশাহের শেষদৃশ্য মোবাইলে দেখতে দেখতে কেঁদে ভাসালেন কিয়ারা। 

চলতি বছরের অন্যতম সেরা ছবির খেতাব পেয়েছে সিদ্ধার্থ মালহোত্রার ‘শেরশাহ’। কার্গিল যুদ্ধের শহীদ বিক্রম বত্রার বীরত্ব, আত্মত্যাগ এবং প্রেমের গল্প মন ছুঁয়ে গিয়েছে ভারতীয়দের। পরিচালক বিষ্ণু বর্ধনের এই ছবিতে ক্যাপ্টেন বিক্রম বত্রার বাগদত্তা ডিম্পল চিমার চরিত্রে অভিনয় করেছেন কিয়ারা। এই ছবিতে ছোট্ট অথচ গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে নজর কেড়েছেন কিয়ারা আডবানি।

কিয়ারার ফ্যানক্লাবের তরফে সম্প্রতি প্রকাশ্যে আনা হয়েছে একটি ভিডিয়ো। সেখানে দেখা যাচ্ছে বিমানের মধ্যে মুঠোফোন হাতে নিয়ে বসে রয়েছেন কিয়ারা। মুখ ঢাকা মাস্কে, কিয়ারার চোখ দিয়ে গড়িয়ে পড়ছে জল। পোস্টে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে বিক্রম বত্রার অন্ত্যেষ্টির দৃশ্যটি দেখছিলেন কিয়ারা, পর্দায় বিক্রমের শেষকৃত্যে ডিম্পলের বাঁধভাঙা কান্না নাড়িয়ে দিয়েছে দর্শককে। সেই ভূমিকায় নিজে অভিনয় করেছেন কিয়ারা, তবে ডিম্পলের ওই আবেগ বারেবারে তাড়িত করে চলেছে অভিনেত্রীকেও। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়তে গিয়ে প্রেম বিক্রম-ডিম্পলের। বিয়ের তারিখ পাকা ছিল, কিন্তু আচমকা কার্গিল যুদ্ধ ডিম্পলের জীবন থেকে চিরতরে কেড়ে নেয় তাঁর মনের মানুষ বিক্রমকে। বিক্রমের মৃত্যুর পর গত ২২ বছরে অবিবাহিতই থেকেছেন ডিম্পল, বিক্রমের বাবা-মা'র শত আবদারও টলাতে পারেনি তাঁর সিদ্ধান্তকে।

মিড-ডে'কে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে কিয়ারা আডবানি জানিয়েছেন, এই ছবির গানগুলি ডিম্পলের মন ছুঁয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি ওঁনাকে মেসেজ করেছিলাম ছবি মুক্তির পরে, এই ছবিটা ওঁনার জন্য ভীষণ একটা ইমোশ্যানাল জার্নি। ওঁনার গোপনীয়তাকে আমা সম্মান জানাই। যখন আমি বিক্রম বত্রার পরিবারের সঙ্গে দেখা করি, ওঁনারা বললেন আমি একদম ডিম্পেলের মতোই। এই কথাটা শুনে আমার চোখে জল চলে এসেছিল। আমি জানি এই ছবির গান ওঁনার (ডিম্পল) মন ছুঁয়েছে, আমি নিশ্চিত উনি গর্বিত যে এই কাহিনিটার সঙ্গে মানুষ একাত্ম হতে পেরেছে’।

কিয়ারা অপর এক ইন্টারভিউতে জানিয়েছেন, 'একটা সময় আমি (ডিম্পল চিমাকে) মুখ ফসকে বলে ফেলেছিলাম, অনেক বছর তো কেটে গেল… উনি আমাকে পালটা বলেন ‘সেটা জরুরি নয়, আমি ওর উপর একটু রেগে আছি এটা ঠিক, কিন্তু যেদিন দেখা হবে সেদিন সব মনোমালিন্য একসঙ্গে বসে মিটিয়ে নেবো। আমি জানি ঠিক দেখা হবে….'।

এখন চণ্ডীগড়ের এক স্কুলে শিক্ষিকার দায়িত্ব পালন করছেন ডিম্পল চিমা। বিক্রমের স্মৃতি আঁকড়ে এইভাবেই বাকি জীবনটা কাটিয়ে দিতে চান ডিম্পল।  ‘হীর-রাঞ্জা’, ‘লায়লা-মজনু’,'শিরি-ফরহাদ'-এর অমর প্রেম কতটা কল্পনা, কতটা বাস্তব তা জানা নেই, কিন্তু বিক্রম-ডিম্পলের এই প্রেম চিরন্তন,শাশ্বত…মৃত্যুও যে প্রেমের বাঁধন আগলা করতে পারেনি। 

বন্ধ করুন