বাংলা নিউজ > ঘরে বাইরে > কোভিড জর্জরিত অর্থনীতির হাল ফিরবে কীভাবে? নির্মলাকে পরামর্শ চন্দ্রিমার
চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।

কোভিড জর্জরিত অর্থনীতির হাল ফিরবে কীভাবে? নির্মলাকে পরামর্শ চন্দ্রিমার

  • চন্দ্রিমা দাবি করেন, কোভিডের ধাক্কায় রাজ্যগুলি অর্থ সঙ্কটে পড়েছে। এই আবহে অতিমারী মোকাবিলা ও অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে আরও বেশি করে টাকা খরচ করা প্রয়োজন।

বিগত প্রায় দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে কোভিড জ্বরে আক্রান্ত ভারতের অর্থনীতি। লকডাউনের ধাক্কা খেয়ে লুটিয়ে পড়া ভারতীয় অর্থনীতি বিগত কয়েক মাস ধরে অবশ্য ধাপে ধাপে নিজের পুরোনো পর্যায়ে পৌঁছনোর চেষ্টা করছে। এই আবহে দেশের অর্থনীতির হাল ফেরাতে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনকে ‘পরামর্শ’ দিলেন বাংলার অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। চন্দ্রিমার বক্তব্য, সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়লে ধাপে ধাপে অর্থনীতির হাল ফিরবে দেশে। এই আবহে চন্দ্রিমা দাবি করেন যাতে সাধারণ মানুষের হাতে টাকা দেওয়া হয়।

কোভিড আবহে সাধারণ মানুষের হাতে টাকা দেওয়ার স্বপক্ষে সওয়াল করেছেন নোবেলজয়ী অভিজিত বন্দ্যোপাধ্যায় সহ একাধিক অর্থনীতিবিদ। এই পরিস্থিতিতে তৃতীয়বারের মতো বাংলায় সরকার গড়ে ‘লক্ষ্মী ভাণ্ডার’ প্রকল্প চালু করে তৃণমূল সরকার। মানুষের হাতে টাকা তুলে দিতেই এহেন প্রকল্প। গোয়াতেও এই ধরনের প্রকল্পের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তৃণমূল। আর এই পথ অনুসরণ করেই এবার চন্দ্রিমা সাধারণ মানুষের হাতে টাকা তুলে দেওয়ার পরামর্শ দেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনকে।

উল্লেখ্য, আগামী অর্থবর্ষের বাজেটের প্রস্তুতি পর্বে সব রাজ্যের অর্থমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। সেই বেঠকে চন্দ্রিমা দাবি করেন, কোভিডের ধাক্কায় রাজ্যগুলি অর্থ সঙ্কটে পড়েছে। এই আবহে অতিমারী মোকাবিলা ও অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে আরও বেশি করে টাকা খরচ করা প্রয়োজন। এই জন্য রাজ্যের জিডিপি-র ৫ শতাংশ পর্যন্ত বিনা শর্তে ঋণ নিতে দেওয়া হোক। তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন প্রকল্পে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে রাজ্যের প্রায় ৯৩ হাজার কোটি পাওনা রয়েছে।’ পাশাপাশি জিএসটি বাবদ রাজ্যের পাওনা ১৭০০ কোটি টাকা মিটিয়ে দেওয়ার আর্জিও জানান চন্দ্রিমা।

বন্ধ করুন