তাপস Medium Altitude long Endurance drone, এই বিশেষ ড্রোন প্রজেক্ট নিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে ডিআরডিও। আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের উপর এটা ব্যবহার করার ব্যাপারেও কথাবার্তা চলছে। অ্যরোনটিকাল ডেভেলপমেন্ট এসটাব্লিশমেন্ট ল্যাবেরটরি এই ড্রোন প্রকল্প রূপায়ণের চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছে। এদিকে ২৪ ঘণ্টা ধরে ৩০,০০০ ফুট উচ্চতায় যাতে এটা ওড়ার মতো পরিস্থিতি থাকে সেব্যাপারে কাজ চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে জানা গিয়েছে, ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের সূত্র বলছে, একটা প্রতিরক্ষাবিভাগ এই তাপস ড্রোন ব্যবহার করার ক্ষেত্রে আগ্রহ দেখিয়েছে। আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের উপর এটি নজরদারির জন্য় ছাড়া হবে বলে জানা গিয়েছে।
তাপস ড্রোনের একাধিক মহড়া ইতিমধ্যেই হয়েছে। এটা অন্তত ২৮,০০০ ফুট উচ্চতায় উড়তে পারে। অন্তত ১৮ ঘন্টা এটা উড়তে পারে। টানা উড়তে পারে এটা। কিন্তু প্রতিরক্ষা দফতরের টার্গেট হল যাতে ২৪ ঘণ্টা উড়তে পারে। সেই সঙ্গেই ৩০,০০০ ফুট উচ্চতায় যাতে এটা উড়তে পারে সেই চেষ্টা চালানো হচ্ছে। কিন্তু এই ড্রোন পুরোপুরি সেই কাজে সফল হতে পারেনি এখনও।
সূত্রের খবর, কর্ণাটকের চিত্রদূর্গা থেকে এই ড্রোন একবার ছাড়া হয়েছিল। এটার মহড়া দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় এটা আরব সাগরের উপর ছাড়া হয়। সেটা বেশ কিছু ঘণ্টা আরব সাগরের উপর উড়েছিল বলে খবর।
সূত্রের খবর, এই ড্রোন ওড়ার জন্য যে রানওয়ের প্রয়োজন হয় সেটা বিরাট দীর্ঘ হতে হবে এমনটা নয়। কিছু দ্বীপুপুঞ্জে ছোট রানওয়ে থেকেও এটা ছাড়া সম্ভব।
ডিআরডিও আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ল্যাবরেটরি এই ড্রোনের উন্নতিতে কাজ করে যাচ্ছে। এর ডিজাইনের উন্নতির জন্য়ও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে এই ড্রোনের আর কী কী রদবদল করা দরকার সেটাও দেখা হচ্ছে। কিন্তু সম্প্রতি যে ধরনের মূল্যায়ন করা হয়েছিল তাতে বিরাট নম্বর নিয়ে পাশ করতে পারেনি এই তাপস ড্রোন। ডঃ সমিত ভি কামাত এই ড্রোন প্রকল্পে কাজ করছেন। তিনি একাধিক অত্যাধুনিক ড্রোনের উপর কাজ করে যাচ্ছেন। আকাশপথে যুদ্ধ করতে পারে এমন প্রকল্প যেমন ঘটক, আর্চারের উপর কাজ করেছেন এই বিজ্ঞানী। ( এএনআই)